• বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

আমাদের ইলিয়াস কাঞ্চন

প্রকাশ:  ২১ নভেম্বর ২০১৯, ২১:২৬
মাহফুজা মুন্না

সম্রাট শাহজাহান তার বেগমকে অমর করে রাখতে তাজমহল বানিয়েছিলেন। আজ তা প্রেমের জয়গান গাচ্ছে আর পাবলিক পকেট ফাঁকা করে সুখি হচ্ছে কিন্তু ইলিয়াস কাঞ্চন তার স্ত্রীর স্মরণে যা শুরু করেছিল তা হচ্ছে সত্যিকারের প্রেম যে প্রেম অন্য কারো প্রেমকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার উপায়।

মহান আল্লাহপাককে ভরসা করে ইলিয়াস কাঞ্চন পথে নেমেছিলেন নিরাপদ সড়কের দাবিতে। তার এই দাবি কোন কিছু দমিয়ে রাখতে পারে নাই। তিনি দমে যাননি। নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন রোদ ঝড় বৃষ্টিতে পথে থেকে এবং সরকারি অফিস ও মিডিয়ার দুয়ারে দুয়ারে তার দাবি নিয়ে ধর্না দিয়ে ।

আজ তার দাবি আমাদের দাবী, নাগরিক দাবী, জাতীয় দাবী। সরকার যখন জাতীর এই ক্রান্তিলগ্নে সঙ্গ দিতে উদ্যোগ নিয়েছেন তখন মানুষরুপি কিছু পিচাশ এর বিরোধিতা করছে। ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবিতে জুতার মালা পরানোর সাহস পাচ্ছে।

হে আমাদের সন্তানেরা এদের চিনে রাখো। ভবিষ্যতে গন ধোলাই দিতে কাজে লাগবে। ডিএমপি কমিশনার মহোদয় চমৎকার বক্তব্য দিয়েছেন যে আমাদের সন্তানরা ছাড়বে না। তাঁকে সাধুবাদ জানাই। হ্যা সরকার ব্যর্থ হলে আমাদের সন্তানেরা ছাড়বে না। আমরা মা বাবা তাদের সাথে আছি। লাঠিসোঁটা যা লাগে সাপ্লাই দিব ইনশাআল্লাহ তবু নিরাপদ সড়ক আন্দোলন বৃথা যেতে দিব না।

পরিবহন শ্রমিকদের বেশির ভাগই ড্রাগ এডিক্টেড। কাজেই সরকারের উচিত হবে ডোপ টেস্টিং করে ধরতে পারলে আচ্ছামত পিটান দেয়া। এই জাতি পিটানিকে ভয় পায়, ভালো কথায় ভয় পায় না।

চীনের গুয়ানজো ছিল ছিনতাইয়ের শহর। এই দশ বছর আগেও। এখন নিশ্চিন্ত মনে হাটা যায়। মটর সাইকেল স্পিড চল্লিশ কিমি মাত্র যাতে ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়া না যায়। শুধু সিসি ক্যামেরা আর প্রশাসনের কঠিন শাস্তি সব ঠান্ডা করে দিয়েছে। এনকাউন্টারে কয়েকজন যেতেই সব ঠান্ডা।

কাজেই পরিবহন সেক্টরে আইন কঠিনভাবেই বাস্তবায়ন করতে হবে। আর যারা বাঁধা দিবে তাদের জন্য এই দুনিয়া না।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)


পূর্বপশ্চিমবিডি/কেএম

ইলিয়াস কাঞ্চন,মাহফুজা মুন্না
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত