• বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

স্মরণ!

প্রকাশ:  ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ১৬:৫০
দেবাশীষ বিশ্বাস

আজ রাজবাড়ী জেলা প্রশাস‌কের কার্যাল‌য়ে তৃতীয় লি‌ঙ্গের ৪৭জন ব্য‌ক্তি‌কে ৫০দি‌নের প্র‌শিক্ষণ (সেলাই/ক‌ম্পিউটা‌র) শেষে সনদপত্র এবং নগদ অর্থ বিতরণ করা হ‌লো। সেখা‌নে যা‌দের দেখলাম ঘু‌রে ফি‌রে একই মুখ কিন্তু দৌলত‌দিয়া ঘা‌টে যার বি‌ভিন্ন বাস থে‌কে অর্থ সংগ্রহ ক‌রে তা‌দের দেখলাম না, এমন প্রশ্ন ছি‌লো কর্তাব্য‌ক্তি‌দের কা‌ছে। উত্তর যা পেলাম সেটা হ‌চ্ছে দৌলত‌দিয়া‌তে হিজড়া প‌রিচয় দি‌য়ে কিছু ভাসমান প‌তিতা চাঁদাবা‌জি ক‌রে।

হিজড়ারা জা‌নি‌য়ে‌ছেন গোয়ালন্দ নদী ভাঙন এলাকা বাস ছাড়া অন্য কোন জায়গা থে‌কে অর্থ আদা‌য়ের কোন উপায় ও তা‌দের নেই। তাহ‌লে দে‌শের লক্ষ লক্ষ মানুষ যেখান দি‌য়ে যাতায়াত ক‌রে সেখা‌নে ভোগা‌ন্তি রোধ না ক‌রে শহ‌রে ভোগা‌ন্তি দূর কর‌লে সরকা‌রের ভাবমূ‌র্তি কতটুক উজ্জ্বল হ‌বে? একজন ডিআইজি য‌দি ঢাকায় ব‌সে এই সমস্যা সমাধান ক‌রার জন্য চেষ্টা ক‌রে সফল হ‌তে পা‌রে ত‌বে জেলার অন্য বড় দুই কর্মকর্তারা কেন পা‌রে না। আবা‌রো লিখ‌ছি স‌ঠিক প‌রিকল্পনা ক‌রে আগা‌নোর।

ধন্যবাদ ঢাকা রে‌ঞ্জের ডিআইজি জনাব হা‌বিবুর রহমান স্যা‌রের জন্য যি‌নি হিজড়া ও বে‌দে‌দের জন্য কাজ ক‌রে যা‌চ্ছেন।

(ফেসবুকে থেকে সংগৃহীত)


পূর্বপশ্চিমবিডি/কেএম

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত