Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

‘ভারত সরকারই নয়, নাগরিকদের মধ্যেও ‘মোড়লিপনা’ মনোভাব আছে’

প্রকাশ:  ১০ অক্টোবর ২০১৯, ২২:৪৪
শওগাত আলী সাগর
প্রিন্ট icon

ভারতের সাথে যে কোনো উদ্যোগ নিয়েই বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে বিতর্ক হয়- এটা নতুন নয়। এর পেছনে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে সহায়তা করার কারনে ভারত বিরোধীতার ঐতিহাসিকতা যেমন আছে, তেমনি ভারতের উদ্যত আচরণ, স্বার্থবাদিতাও আছে। কেবল ভারত সরকারই নয়- ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যেও এক ধরনের ‘মোড়লিপনা’ মনোভাব আছে। সেটা আমরা সুদুর কানাডায় বসেও টের পাই- যখন যে কোনো ভারতীয় বাংলাদেশি কারো সাথে দেখা হলেই হিন্দিতে কথা বলতে শুরু করে। তারা ধরেই নেয়- বাংলাদেশি মানেই হিন্দি বুঝবে এবং হিন্দিতেই কথাবার্তা চালিয়ে যাবে। আমার তখন বাংলায় কথা বলার বিকল্প কিছুই থাকে না।

যা বলছিলাম। ভারত যেহেতু সব সময়ই বাংলাদেশের ন্যায্য দাবিগুলোর প্রতি অবহেলা দেখায়, কেবল নিজেদের স্বার্থের ব্যাপার সজাগ থাকে, সেহেতু বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের ভারত সফর এবং যে কোনো ধরনের আলোচনার প্রতি নাগরিকদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকে। এই তীক্ষ্ণ দৃষ্টিকে সহজ রাখাটা সরকারেরই দায়িত্ব। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত তথ্য প্রকাশ করো হলে, নাগরিকদের সামনে যথেষ্ট পরিমান তথ্য থাকলে তখন আর গুজব কিংবা মিথ্যাচারের সুযোগ থাকে না।

এই যে শেখ হাসিনা ভারত গেলেন- সেটি তো তিনি হঠাৎ করে চলে যাননি। তার আগে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় পর্যায়ে নানা ধরনের আলাপ আলোচনা হয়েছে, সূচি তৈরি করা হয়েছে, কি নিয়ে চুক্তি হবে, কি নিয়ে সমঝোতা স্মারক হবে- এগুলো নিশ্চয়ই আগেভাগেই আলোচনা হয়েছে! নিয়মও তো তাই। কিন্তু সরকার কিংবা পরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় এই গুলো নিয়ে কোনো ফোরামে আলোচনা করেছে বলে শুনিনি। মিডিয়াতেও এগুলো নিয়ে তেমন আলোচনা ছিলো না। হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল পরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় স্বাধীনভাবে এগুলো ভাবতেই পারেনি। কিংবা জনগণকে কোনো তথ্য জানানোর প্রয়োজনীয়তাই তারা বোধ করেনি। ফলে নানা মাধ্যম থেকে নিয়ন্ত্রিত যতোটুকু তথ্য বাইরে এসেছে তা নিয়েই সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচনার মুখে এখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও ব্যাখ্যা দিতে শুরু করেছেন। অথচ সফরের আগে পরে এ নিয়ে সরকারি ভাষ্য (যতটুকু প্রচার করা যায়) থাকলে এই বিতর্কগুলো বাতাস পেতো না।

প্রতিবেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের স্পর্শকাতরতা বিচেনায় রেখেই পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের আরও প্রো একট্টিভ হ্ওয়া দরকার।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

পূর্বপশ্চিমবিডি/জিএম

বাংলাদেশের নাগরিক,ফেসবুক স্ট্যাটাস,সওগাত আলী সাগর
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত