• শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ৫ মাঘ ১৪২৭
  • ||

কানাডার নির্বাচন: ইসি প্রধানমন্ত্রীকে তোয়াক্কা করবে কেন?

প্রকাশ:  ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৫:০৬
শওগত আলী সাগর

সকাল ১০টায় রিডো হলে যাবেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। গভর্নর জেনারেলকে তিনি অনুরোধ করবেন- সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দিতে। গভর্নর জেনারেলের ঘোষণার মধ্য দিয়েই আসলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেডারেল নির্বাচনের ঘোষণা হবে। শুরু হবে নির্বাচনী প্রচারণাও।

কিন্তু সবাই তো জানে আগামী ২১ অক্টোবর ফেডারেল নির্বাচন! তা হলে আনুষ্ঠানিক ঘোষনার কি আছে? আছে। সেটা আনুষ্ঠানিকতা। কানাডার নির্বাচনী আইনের বিধান হচ্ছে প্রতি চার বছর পর পর অক্টোবর মাসে নির্বাচন হবে। ‘ফিক্সড ইলেকশন রুলস’ এর আ্ওতায় এটি ঘোষিত আছে। অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা না ঘটলে প্রতি চার বছর পর পর ২১ অক্টোবরই কানাডার জাতীয় নির্বাচনের দিন। তবু তার একটা আনুষ্ঠানিকতা দরকার হয়। আজ সকালে সেটিই হবে।

সংসদ ভেঙ্গে গেলেও জাস্টিন ট্রুডো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ট্রুডোর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নিয়ে কারোই কোনো আপত্তি নেই। কারণ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সম্পর্কে সবাই জানে বলেই নির্বাচনকালীন সময়ে দলীয় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় থাকা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী কেন কাউকেই তোয়াক্কা করে না স্বাধীন নির্বাচন কমিশন। নির্দিষ্ট আইনের আ্ওতায় কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করে যায়। যে দেশে পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের জের ধরে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিশন হয়, প্রধানমন্ত্রীকে দু:খ প্রকাশ করতে হয়, সেই দেশে নির্বাচন কমিশন প্রধানমন্ত্রীকে তোয়াক্কা করবে কেন?

ফেডারেল নির্বাচনের আগে প্রচারণার জন্য মাত্র ৫ সপ্তাহের মতো সময় পাচ্ছে কানাডার রাজনৈতিক দলগুলো। এই সময়ের মধ্যেই দলীয় প্রধানরা একাধিক বিতর্কে অংশ নেবেন। যদ্দুর সম্ভব বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নেবেন।

কানাডার আদি বাসিন্দারা নির্বাচন নিয়ে তেমন একটা কৌতূহলী না হলেও অভিবাসীদের আগ্রহ সীমাহীন। নানা দলের হয়ে, নানা প্রার্থীর হয়ে অভিবাসীরা নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আগামী কয়েকটা মাস বেশ সোরগোলেই কাটবে তাদের সময়।

(লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

পূর্বপশ্চিমবিডি/জিএম

প্রধানমন্ত্রী,জাস্টিন ট্রুডো,কানাডা,নির্বাচন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত