Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

দু-একজন দেখলাম, স্যারকে রক্ষার জন্য মাঠে নেমেছেন

প্রকাশ:  ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৫:০৫ | আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৫:৩১
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

অনেকের প্রনম্য আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সুশীল কুলশিরোমণি-র নারী সম্পর্কিত কিছু লেখা।

দু একজন দেখলাম, স্যারকে রক্ষার জন্য মাঠে নেমেছেন। স্যারের জন্য বক্ষবর্ম লাগিয়ে সুরক্ষা দিচ্ছে। তাদের জন্য দুখানা কোট স্যারের একখানা বই থেকে।

[আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, রোদনরূপসী, পৃষ্ঠা ৬২-৬৩]

“একটা মেয়ে আমার কাছে শুধুমাত্র একটা দেহ- কামকেন্দ্রবতী, প্রত্যাশী, উন্মুখ ও রক্তমাংসময়। তুমি এ ব্যাপারে সৌজন্যের উজ্জ্বল ভাষায় আমাকে গালাগাল করতে পার, কিন্তু একটা লোভনীয় নারী-শরীরকে নিয়ে তোমাদের মত ‘অকারণ বেদনায়’ দূর থেকে কাতর হওয়া আমার কাছে হাস্যকর। আমার মতে একটা মেয়েকে বাহুর ভেতর আঁকড়ে ধরে, দলে-নিংড়ে নেওয়াই তার প্রতি একজন পুরুষের সবচেয়ে বড় মর্যাদা প্রদর্শন- হাঁ মর্যাদা; মর্যাদা তার নারীত্বের প্রতি, তার অব্যবহৃত উপেক্ষিত শরীরের প্রতি, তার গোপন সহজাত আকাক্ষাগুলোর প্রতি-”

‘‘ইতিমধ্যে যে-সব মেয়ের শরীরকে আমি ব্যবহারযোগ্য নাগালের মধ্যে পেয়েছি তাদের অনেকের মধ্যেই আমি এ ধরনের অনেক ব্যাপার লক্ষ্য করেছি যা অনেক সময় আমার কাছে বিরক্তিকর এমনকি ঘৃণ্যও মনে হয়েছে। কিন্তু তবু এ ব্যাপারে আমার মনে ইতিমধ্যে একটা সহনশীলতা জন্মে গিয়েছে। একটা মেয়ের নরম দেহকে আয়ত্তে পেলে আমি তার সব ত্রুটি-বিচ্যুতিকেও ক্ষমা করতে পারি; বলতে পার, এ ব্যাপারে আমার মধ্যে এক ধরনের অতিরিক্ত উদারতাই তৈরি হয়ে গেছে।’’ [ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, রোদনরূপসী, পৃষ্ঠা ৬৪]

আমি এত জ্ঞানী নই, কামলা খাটি বলে বই পড়ার টাইম নেই। আমার এক বন্ধু কোটগুলো পাঠিয়েছে। তাসলিমা মিজি'র ওয়াল থেকে।

লেখাটি বৃত্বা রায় দীপার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

পূর্বপশ্চিমবিডি/ এআর

আবু সায়ীদ স্যার
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত