Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

শাড়ি নিয়ে বিতর্কের ঝড়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

প্রকাশ:  ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:৫৯ | আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০:৩৫
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

বাঙালি নারীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক শাড়ি নিয়ে একটি লেখা জন্য সোশাল মিডিয়ায় তোপের মুখে পড়েছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। শাড়িকে তিনি শাড়িকে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে যৌনাবেদনপূর্ণ অথচ শালীন পোশাক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার এই মন্তব্য নিয়ে বিতর্কে ঝড় ওঠেছে।

গত ৩০ আগস্ট দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত ওই লেখা শাড়ি পরার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে নারীর শরীর নিয়ে নানাবিধ উপমা ব্যবহার করেছন, যা নারীকে হেয় করেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। অনেকেই বলছেন, লেখাটিতে তিনি বাঙালি নারীদের চেহারার কথা বলতে গিয়ে তাদের উচ্চতা, চেহারা ও শারীরিক আকৃতি নিয়েও কটাক্ষ করেছেন।

ওই লেখা প্রকাশের পর সমালোচনার ঝড় ওঠে ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়ায়; তার ‘পুরুষতান্ত্রিক’ দৃষ্টিভঙ্গীর সমালোচনা করেছেন নারী অঙ্গনের নেতৃস্থানীয়রাও। অশীতিপর এই অধ্যাপক ‘শাড়ি’ শিরোনামে লেখাটিতে লিখেছেন, আধুনিক শাড়ি পরায় নারীর উঁচু-নিচু ঢেউগুলো এমন অনবদ্যভাবে ফুটে ওঠে, যা নারীকে করে তোলে একই সঙ্গে রমণীয় ও অপরূপ।

অধিকারকর্মী খুশি কবির মন্তব্য করেছেন, এ ধরনের লেখা সংবাদপত্রে প্রকাশ যোগ্য নয় । নারী ও সমাজ সম্পর্কে নারীদের মনোভাব জানতে অধ্যাপক আবু সায়ীদকে পরামর্শও দিয়ে খুশি কবির বলেন, ওনার লেখাটায় মধ্যযুগীয় পিতৃতান্ত্রিক-সামন্ততান্ত্রিক প্রতিফলক আছে। আসলে ওনার কাছ থেকে চাওয়ার কিছু নাই। আমাদের ওনার কাছে চাওয়ার সময় পেরিয়ে গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম বলেন, আমি বাঙালি তাই শাড়ি পরি। বাসায় অনেকসময় শাড়ি পরলেও বাইরে কোথাও গেলে শাড়ি ছাড়া অন্য পোশাকের কথা ভাবতেও পারি না। এভাবেই শাড়ির সঙ্গে আমার আমিত্ব মিশে গেছে। যেকোন পরিস্থিতিতে শাড়ি পরতে কোনো অসুবিধা হয় না। শাড়ি পরে সাইকেলও চালাতে পারি। আমি মনে করি, একজন ব্যক্তির জতীয়তাবোধ প্রকাশের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো তার পোশাক। দেশীয় পোশাক হিসেবে তাই দেশে-বিদেশে সব জায়গায় আমি শাড়ি পরি।’

প্রথম আলোয় প্রকাশিত লেখাটির নিচেই বেশ কয়েকজন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছেন। চৈতালি খান নামে একজন লিখেছেন,লেখকের সাথে একমত হতে পারলাম না। কেমন যেন একপেশে আর পুরুষতান্ত্রিক লাগল পুরো লেখাটা। আপনাদের চোখের শান্তি ছাড়া অন্য কোন কাজ নাই বাঙালি মেয়েদের? রূপা নামে আরেকজন লিখেছেন, শাড়ি নিয়ে লেখাটি পুরোপুর অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। শাড়ি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এটি আমাদের নারীদের ভালোবাসার প্রতীক। এটাকে কটাক্ষ করে এমন সমর্থন করি না।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান শাড়ি নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আবহমান কাল জুড়ে বাঙ্গালী নারীর প্রিয় সুন্দর সম্মান ও ব্যক্তিত্বের পোশাক হলো শাড়ি।শাড়ি আমার মা পড়েছেন। শাড়ি আমার পূর্বসুরীরা পড়েছেন। শাড়ি আমার বোনরা পড়েন।শাড়ি আমাদের শিশুকন্যারাও পড়ে। শাড়িতে নারী আমার কাছে অনেক বেশী সম্মান ও শ্রদ্ধার। তবু পোশাক যার যার স্বাধীনতা। অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ শাড়ি নিয়ে চমৎকার লেখাটিতে কিছু কিছু মন্তব্যে যৌন সুরসুরিতে নারীর দেহের বর্ণনায় পণ্যে র শামিল করেছেন।তার জীবনের পড়ন্ত বেলায় ভিতরে বাস করা যৌনবিকৃত পুরুষের চেহারাই উন্মোচন করেছেন।

নাট্যকার-নির্মাতা মাসুম রেজা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ ‘শাড়ি’ নিয়ে বেশ বড় একটা লেখা লিখেছেন.. তাঁর লেখা তিনি লিখেছেন.. তবে এই লেখার নিচে একটা ফুটনোট দেওয়া উচিৎ ছিলো যে, শাড়ি কীভাবে সবচেয়ে যৌনাবেদনপূর্ণ শালীন পোশাক তা দেখার ছলে মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না.. শাড়ি পরলে নারীর উঁচু-নিচু ঢেউগুলো কেমন অনবদ্যভাবে ফুটে ওঠে তা দেখারও চেষ্টা করবেন না.. শাড়ি কীভাবে শরীরের অসম অংশগুলোকে লুকিয়ে ও সুষম অংশগুলোকে বিবৃত করে বা নারীর শরীরে সৌন্দর্যের প্রতিটি ঢেউ আর সরণিকে আঁকাবাঁকা, উঁচু-নিচু ভঙ্গিতে বিন্যস্ত করে তা অনুসন্ধানের চেষ্টা করবেন না.. কেনো আমি স্যারের লেখাটা পড়লাম এই ভেবে আমার অনুশোচনা হচ্ছে..।

অভিনেত্রী নূনা আফরোজ কটাক্ষ করে লিখেছেন, ...শাড়ী নিয়ে লিখতে গিয়ে মেয়েদের মেধা-বুদ্ধির পরিচয় দেবার দরকার নেইতো কিংবা এখানে মেয়েদের মেধা-বুদ্ধির প্রসঙ্গ আনবারও কোনো প্রয়োজন নেই। সব কিছু এত পারসোনালি নেই কেন আমরা? এতো নারীবাদী হবারও কিছু নেই ভাই। সবার আগে মানুষ হই। হে নারী, এমন করোনা লেখকের লেখা থেমে যাবে। কবির কবিতা থমকে যাবে। তুমি রূপসী, তোমার দেহ পৃথিবীর সেরা পেইন্টিংতাই তোমার তোমার রূপের প্রশংসা হবেই। প্রশংসাইতো... প্রশংসার চেয়ে মধুর বাণী আর কি আছে বলো?

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের শাড়ি নিয়ে লেখার কড়া সমালোচনা করে ফেসবুক স্ট্যাটাসে অপরাজিতা সংগীতা লিখেছেন, সকালটা শুরু হলো প্রথম আলোতে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের চরম সেক্সিস্ট 'শাড়ি' লেখাটি পড়ে। এই লেখাটির মাধ্যমে 'জাতীয় অধ্যাপক' প্রমাণ করলেন 'আলোকিত মানুষ চাই' স্লোগান দিলেই 'আলোকিত মানুষ' হওয়া যায় না। আচ্ছা, এই যে তিনি শাড়ি নিয়ে লেখার নাম করে নারী শরীরের আনাচ কানাচের রগরগে বর্ণনা দিলেন, ইঞ্চি ফিতা দিয়ে নারী শরীরের মাপঝোক করলেন; এটা কি প্রথম? নাকি আগেও করেছেন?

সমাজকর্মী জাকিরুল হক টিটন লিখেছেন, ভালো ফল যেমন আঙ্গুর, আপেল, বেদানাও যেমন পঁচে যায় তেমনি মনে হয় প্রিয় স্যারেরও জায়গায় পচন ধরেছে। তা না হলে এমন মানুষ কেমনে এমন চটি সাহিত্য রচনা করতে পারে। নাকি বয়সের দোষ? আমি ভেবে মেলাতে পারছি না। স্যার, কেনো এমন কামুক হলেন এই বয়সে এসে। বলবেন কি? আপনার কাছে সত্য, সুন্দর, মানবিক ছাড়া অন্য কিছু আশা করতে পারি না।

শাহনাজ পারভিন ডলি মন্তব্য করেছেন, ...সব বাদ দিয়ে নারীকে নিয়ে গবেষণা এই বয়সে মানায় না। একেবারে নারীর দেহ উঁচু, নীচু, লম্বা, খাটো, শাড়ী, আকর্শনীয়,কাম শক্তি ইত্যাদি যা ওনার সাথে একেবারে বেমানান। তাহলে কি এটাই প্রমান করেনা -- ওনার মধ্যে এখনো নারীর লালসা বিদ্যমান। লালসার তীব্র যন্ত্রণা যতোই থাকুক, বয়স এবং অবস্থান বিবেচনা করা উচিৎ ছিল। আমি নিজে একজন নারী তাই ওনার লেখায় চরম ভাবে আহত ।

শাহানা পারভীন লিখেছেন, শরীরের নানা বাঁকা দেখাবার জন্য যুৎসই আরো অনেক পোশাক আছে। আমাদের দাদি, নানি,মা খালাদের সবসময় শাড়ি তেই দেখেছি স্বাচ্ছন্দ্য। কখনো মনে হয়নি ওনারা শরীরের ভাঁজ চেনাতে তা পড়েছেন। আমিও পড়ি আবহমান বাঙ্গালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসাবে,ভালো লাগা থেকে অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।

জেসমিন সুলতানা ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন, ওনাকে শ্রদ্ধা করতাম।তবে বিভিন্ন বক্তৃতায় কিন্চিৎ সুরসুরি দেয়ার প্রবনতা আছে।এমনি তেই আজকাল নানুরা, দাদুরা,মায়েরা, বোনেরা মেয়েরা শাড়ি পরতেই চাননা। শাড়ি পরতে সময় লাগে ম্যাচিং এ সময় ব্যয় ইত্যাদি অজুহাত। আর এমনি সময় আব্দুল্লাহ আবু সাইদের মতো একজন প্রাজ্ঞ লোক ওনার ভিতরের পুষে রাখা রিপু গুলোকে সবার মাঝে বিলিয়ে দিলেন একে বারেই ভাল লাগলোনা।একটা বয়সে পুরুষ মানুষ শারীরিক ভাবে অক্ষম হয়ে যায় কিন্তু মনে হয় মনের সাধ মনেই থাকে। তাই শাড়ি পরা নারীকে উনি নিরিখ করে প্রাণ ভরে দেখে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। বাবাদের মুখ থেকে মেয়েরা যা শুনতে চায়না।

শামীম আরা শিউলি লিখেছেন, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ কেন শাড়ি নিয়ে লিখতে গেলেন জানি না I এইটা কী ওনার এরিয়া (বিষয়)? এই বিষয়ে ওনার কী অভিজ্ঞতা আছে? উনি বরং লুঙ্গি নিয়ে লিখতে পারতেন I দেশের পুরুষদের ইতিহ্যবাহী এই পোশাকটি যে দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে, তা নিয়ে ওনার কোন মাথা ব্যথা নেইI উনি পড়ে আছেন শাড়ি নিয়ে I অবশ্য ব্যক্তিগতভাবে আমি লুঙ্গি পছন্দ করি না I এই কথা একবার বন্ধুদের আড্ডায় বলার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার খেতাব জুটেছিল ‘লুঙ্গি পড়া ভদ্র মহিলা’ I যাই হোক আমি পছন্দ করি আর নাই করি, বহু পুরুষের প্রিয় পোশাক লুঙ্গিI

সিফাত বন্যা অবশ্য আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের লেখাটির পক্ষে যুক্তি দিয়ে লিখেছেন, একটি শৈল্পিক লেখাকে কিভাবে কদর্যে পরিণত করা যায়, সেটা আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের শাড়ি বিষয়ক লেখা টা না পড়লে বুঝতেই পারতাম না। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় দেখলাম, প্রগতিশীল পুরুষ লেখকগণ যারা নারীর বিভিন্ন অঙ্গ বের করা ছবি দিয়ে কাব্য রচনা করে থাকে তারাও স্যারের লেখাকে রেসিস্ট বলছে।। বাঙালির এই আচরণ দেখে মনে হচ্ছে যে স্যারই একমাত্র লেখক যিনি নারীর শারীরিক গঠন নিয়ে এই প্রথম বর্ণনা করে লিখলেন। এর আগে কেউ লেখেননি। তাহলে বলবো,,আপনাদের জীবনের এত এত সাহিত্যচর্চা আর প্রগতিশীলতা এবং মুক্তমনার চর্চা সবই বৃথা। আসলে সবাই ভেতরে ভেতরে সংকীর্ণ মানসিকতার।

শ্যামলী শীল লিখেছেন, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ‘শাড়ি’ নিয়ে লেখাটি শুধুমাত্র পুরুষতান্ত্রিক নয়, একই সাথে চরম বর্ণবাদী আর বডি শেমিংয়ে ভরা।পুরো লেখা জুড়ে তিনি বাঙ্গালী নারী-পুরুষের গায়ের রঙ, উচ্চতা, শরীরের গড়নকে খুবই অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করেছেন। ‘আফ্রিকার নারীরা বিশাল দেহি’ ‘ইংল্যান্ডের মানুষের মুখ সুন্দর’ ‘বাঙ্গালী নারী খাটো বলে তার মধ্যে নারী সুলভ ললিত-মধুর-কমনীয় গীতিময় ভঙ্গি ফুটে উঠে না’ ‘উত্তরভারতের নারীদের দেহসৌষ্ঠব উন্নত’, ‘বাঙ্গালী নারীদের শরীরের গঠন অসম’, ‘অন্তত ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি হলে ছেলেরা সুন্দর হবে আর ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হলে মেয়েরা সুন্দর হবে’...এই সময়ে এসেও এসমস্ত অবমাননাকর ইতর বয়ানের মানে কি!

সাবিহা সুলতানা মন্তব্য করেছেন, কল্পনা থেকে বাস্তবতায় নেমে এসে নারীকে দেখুন। নারীকে যদি ভালোবাসতে হয় তবে গর্ভাবস্থায় তার স্ফিত উদরকে ভালোবাসুন, তার রাতজাগা চোখের নিচে পরা কালিমাকে ভালোবাসুন, কর্মক্লান্ত মুখের ঘামকে ভালোবাসুন, শুধুই পেলব অঙ্গে শাড়ি জড়িয়ে রাখা কালিদাসের তন্বি শ্যামার দেহকে নয়। যদি নারীর এই রুপকে ভালোবাসতে পারেন তবে নারীকে সর্ব রুপে, সর্ব পোশাকেই ভাল লাগবে।

মারিয়া আজাদ লিখেছেন, আবু সায়ীদ একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় স্বনামখ্যাত-সমাজসংস্কারক ব্যক্তিত্ব। তার কাছে মানুষ আশা করে অশ্লীলতাবিবর্জিত কথা ও আচরণ। নারী-শরীর নিয়ে সায়ীদ যা যা বলেছেন, তা তা মিথ্যা নয়, একদম সত্য ও সঠিক। প্রশ্ন হলো, সত্য ও সঠিক সবকিছু কী প্রকাশ্যে বলা যায়? আমাদের মা-বাবার যৌনমিলনের ফসলইতো আমরা, এটা চরম সত্য ও সঠিক (সায়ীদের শাড়ি নিয়ে লেখার মতো সত্য-সঠিক), তাই বলে আমরা কি আমাদের মা-বাবার যৌনমিলনের সব খুটিনাটি খুঁজে খুঁজে বের করে পত্রিকায় লিখবো? আবু সায়ীদ শাড়ির ওপর হেলান দিয়ে যেভাবে নারী-শরীরের রগরগে বর্নণা দিয়েছেন ইঞ্চি-কঞ্চির মাপে, তাতে নারীর শরীরে শাড়িতো রাখেনইনি, বরং আর কোন বস্ত্রই অবশিষ্ট রাখেননি। সায়ীদের লেখা যেনো ক্লিনটন-মনিকাদের ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট। সায়ীদ তার লেখায় 'শাড়ি'র 'গুনগান' এমনভাবে গেয়েছেন, যা শাড়ির বিপক্ষে তো গেছেই, পাশাপাশি নারীর বিবস্ত্র শরীর মানুষের মানসে তোলে ধরেছেন। জাস্ট নারীদেহের সত্য-সৌন্দর্যকে ঘৃণ্যপন্থায় ঘৃণ্যভাবে তোলে ধরেছেন।

পূর্বপশ্চিমবিডি-এনই/

শাড়ি,অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত