Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

কোরবানিকে পশু হত্যা বলা গ্রহণযোগ্য নয়

প্রকাশ:  ১০ আগস্ট ২০১৯, ২০:০০
পীর হাবিবুর রহমান
প্রিন্ট icon

কোরবানি প্রতিটি মুসলমানরা দেন তার ধর্মীয় বিশ্বাস, আবেগ অনুভূতি থেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য।কোরবানিকে যারা পশু হত্যার উৎসব বলেন তারা একটি ধর্মের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেন।আপনি ধর্মে বিশ্বাসী নাও হতে পারেন।এতে অসুবিধা নেই।

কিন্তু যে কোন ধর্মের মানুষের প্রতি অশ্রদ্ধা বা ধর্মীয় বিদ্ধেষ পোষন যেমন অমানবিক তেমনি কারো ধর্মীয় আবেগ অনুভূতিতে আঘাত অযৌক্তিক ও গ্রহনযোগ্য নয়।এটা মূর্খদের হঠকারিতা বা ফ্যাশন অথবা রোমান্টিসিজম হোক না কেনো।

কোরবানি ইসলাম তার জন্য প্রযোজ্য করেছে যার দেবার ক্ষমতা আছে।যারা মিসকিন,এতিম,গরীব ও কোরবানীদানের সামর্থ রাখেননা তাদের ঘরে কোরবানীর মাংস পৌছে দিন।

কোরবানী নিয়ে কে কত দামে,কত বড় পশু, কি নামে কিনলেন এবং তার প্রকাশ্য অসুস্হ প্রতিযোগিতা ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্য নষ্ট করে।অশালীন দেখায়।কোরবানী হলো আআত্নত্যাগ।কোরবানি কবুল করার মালিক আল্লাহ।কোরবানীর জবাই করা ছবি যেমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিবেননা।তেমনি দ্রুত পরিস্কার করা জরুরী।আর কোরবানির মাংস না বিলিয়ে ফ্রিজে ভরে রাখা নির্লজ্জতা।

নামাজ রোজা জাকাতের মতোন হজ্ব ও ইসলাম সেসব মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামুলক করেছে,যারা শরিরীক ও আর্থিকভাবে সামর্থ রাখেন।হজ্বে অনেক সামর্থবান সরকারি দলের প্রতিনিধি হয়ে হজ্বে যান।এটা বন্ধ করে যাদের সামর্থ নেই এবং পরহেজগার তাদের পাঠানো উচিত।যারা সরকারি খরচে হজ্বে যান রাষ্ট্রীয় অর্থে,তাদের মনে রাখা উচিত সকল ধর্মের নাগরিকের টাকায় হজ্বে গেছেন।সকল ধর্মের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ ও সহানুভূতি রাখা উচিত।হজ্ব কবুল করার মালিকও আল্লাহ।

সকল ধর্মের মানুষের যেমন নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে।তেমনি ধর্মের নামে দম্ভ বাড়াবাড়িও গ্রহনযোগ্য নয়।তেমনি যারা ধর্মে বিশ্বাসী নন,তাদেরও সেটার স্বাধীনতা আছে।কিন্তু কারো ধর্ম নিয়ে বিদ্রুপ কটাক্ষ করে ধর্মের অনুভূতিতে আঘাত করে,সমাজকে অশান্ত করা ঠিক নয়।

নিয়ত পৃথিবীজুড়ে পশুজবাই,বলি,হত্যা করে ভোজনের উৎসব চলছে,তখন কেউ ভেজেটারিয়ান হতে প্রচারে আসছেননা,অথচ মুসলমানরা বছরে একদিন ধর্মের অনুসরনে কোরবানি দিলেই পশু হত্যা বলে চীৎকার করছেন,এ কেমন কথা? আসুন সবাই ভিতরের হিংসা, বিদ্বেষ, প্রতিহিংসা, ঘৃনা,লোভ,লালসা , পরের অনিষ্টের চিন্তাকে কোরবানি দেই।ধর্ম যারযার,মানবতা সবার।মানুষে মানুষে বিভেদ হিংসা নয়,শান্তির পৃথিবীতে বাসা করি।ঈদ মোবারক।

যারা ধর্মে বিশ্বাস করেন তাদেরও মনে রাখতে হবে,শেষ বিচারের মালিক তারা নন,সৃষ্টিকর্তাই কেবল।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

(ফেসবুক থেকে নেওয়া)

পূর্বপশ্চিমবিডি/ জিএম

পীর হাবিবুর রহমান,সাংবাদিক,ফেসবুক স্ট্যাটাস
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত