Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
  • ||

সত্যিই এটা থামানো দরকার

প্রকাশ:  ০৯ মে ২০১৯, ০২:০২
অভি মণ্ডল
প্রিন্ট icon

ধর্ষণ, ছোট্ট একটি শব্দ। প্রতিদিনই শুনছি। ফেসবুক ব্রাউজ করলে, পত্রিকার পাতায় চোখ বা টিভি চালু করতেই শিরোনামে নজর 'ওমুক স্থানে ধর্ষণ'। অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণকারীরা শুধু ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হন না মাঝেমধ্যে হত্যা করে নিজের নরপিশাচ রুপটিও প্রকাশ করেন। এদের মা-বোন নেই? এদের মা-বোনকে কেউ ধর্ষণ করলে কেমন লাগবে?

মনে হয় না খারাপ লাগবে। কারণ ওদের মনুষত্ব বলতে কিছু নেই। যদি মনুষত্ব থাকতো তাহলে কোনো মেয়েকে ধর্ষণ করার সময় নিজের মা-বোনের চেহারাটা চোখের সামনে ভেসে উঠতো, তখন কোনো অবস্থাতেই ধর্ষণ তো দূরের কথা ওই মেয়ের দিকে মাথা তুলে তাকাতে পারতো না।

ভেবেছিলাম নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকাণ্ডের পর আইনি কার্যক্রম যেভাবে এগুচ্ছে তাতে দেশে ধর্ষণ সংখ্যা কমে যাবে। কিন্তু সেই ভাবনাটাই ভুল। বেড়েই চলছে ধর্ষণ। থামবার যেন লক্ষ্যই নেই। স্কুলছাত্রী, কলেজছাত্রী, শিক্ষিকা, ডাক্তার, নারী পুলিশ কনস্টেবল সবাই মানুষ রূপি শয়তানের লালসার শিকার।

আমি কেন এত কথা বলছি? আমার বোন কিংবা আমার আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে কেউ তো ধর্ষণের শিকার হননি। তাহলে আমার এতো কথা বলার কি আছে?

বলছি এজন্যই যে, সত্যিই এটা থামানো দরকার। আজ আমার আত্মীয়-স্বজনের কেউ এমন শিকার হয়নি, ঠিক আছে। কিন্তু কাল এর শিকার হবে না বা আপনার কোন আত্মীয়-স্বজন এর শিকার হবে না তার গ্যারান্টি আপনি কিভাবে দিবেন?

আমার মতে ধর্ষণকারী যেই হোক প্রমাণ হলে জনসমক্ষে ক্রসফায়ার বা ফাঁসি দেওয়া হোক। এরকম নজির চার-পাচটা হলে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি ধর্ষণের ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ না হলেও অর্ধেক কমে যাবে।

নিরাপদ হোক সকল নারীর চলার পথ।

(ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে)

লেখক: সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, পূর্বপশ্চিম

ধর্ষণ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত