Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে বাঁধ ভেঙে পটুয়াখালীর ২৫ গ্রাম প্লাবিত

প্রকাশ:  ০৩ মে ২০১৯, ১৭:৪০
পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে নদী ও সাগরের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পটুয়াখালীতে বেশ কিছু পয়েন্টের বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। তিনটি উপজেলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২৫ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গ্রামগুলোয় পানি ঢুকে প্লাবিত হওয়ায় তলিয়ে গেছে বাড়িঘর ফসলি জমি।

মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৪নং দেউলী সুবিধখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জোয়ারের চাপে ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকতে থাকে। একপর্যায়ে মেহেন্দিয়াবাদ, চরখালী, গোলখালী রানীপুরসহ পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে মানুষের ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে যায়। এসব এলাকার ফসলি জমিতে আবাদি মুগডাল তলিয়ে গেছে।

এদিকে জোয়ারে নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চারিপাড়া পয়েন্টে দেড় কিলোমিটার এলাকায় আংশিক বেড়িবাঁধ থাকায় গ্রামের মধ্যে পানি ঢুকে অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এছাড়া মহিপুরের নিজামপুর পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে ৫টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

কলাপাড়া উপজেলায় পানিতে প্লাবিত গ্রামগুলো হচ্ছে- লালুয়ার চারিপাড়া, চৌধুরীপাড়া, মাঝের হাওলা, নয়াকাটা, সেনের হাওলা, মহিপুরের নিজামপুর, কমরপুর, সুধিরপুর।

নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সদর উপজেলার ছোট বিঘাই ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ উপচে ফুলতলা, মাটিভাঙ্গা, ভাজনাসহ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলে আছি। প্রায় আড়াইহাজার মানুষ বাস করেন ওই এলাকায়।

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, মির্জাগঞ্জ উপজেলার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ ছিল। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। অপরদিকে কলাপাড়ার নিজামপুর পয়েন্ট থেকে পানি গ্রামে ঢুকে পড়েছে।

/পিপিবিডি/পি.এস

পটুয়াখালী,ঘূর্ণিঝড় ফণী
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত