Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬
  • ||

‘ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে সরকারের’

প্রকাশ:  ০৩ মে ২০১৯, ১৪:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাত থেকে জানমাল রক্ষায় সরকারের সব ধরণের প্রস্তুতি আছে ।এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪ হাজার ২৫০ জনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১৯টি জেলার ২১ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হবে।

শুক্রবার (৩ মে) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

সভায় জানানো হয়, এই মুহূর্তে ঝড়টি ওড়িশায় আঘাত হেনেছে। ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বেগে এবং ঘণ্টায় ২৭ কিলোমিটার গতিতে ঝড়টি অগ্রসর হচ্ছিলো। এটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়ে উত্তরপশ্চিম দিক থেকে খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। শক্তি কিছুটা কমেছে। বাংলাদেশে যখন আসবে তখন এর গতি ৯০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার হতে পারে। অগ্রসর হওয়ার গতি হবে ১৭ কিলোমিটার। ফলে সন্ধ্যায় শুরু হয়ে সারা রাতব্যাপী ঝড়বৃষ্টি চলবে। স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ৬ ফুট জলোচ্ছাস হতে পারে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ৫৬ হাজার কর্মী, নৌবাহিনী, পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার, ফায়ারসার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউট, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলা প্রশাসন প্রস্তুত আছে। তারা জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্র নেওয়ার কাজ যুক্ত রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় শুক্রবার সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বেলা ১২টা পর্যন্ত ৪ লাখ ৪ হাজার ২২৫ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। বিকাল ৫টা মধ্যে সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্র নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে–প্রতিবন্ধী, গর্ভবতী মা ও শিশুদের। প্রতিবন্ধীদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্রে আলাদা কক্ষ রাখা হচ্ছে। ডিসিদের কাছে বাড়তি ১০ লাখ টাকা ও খাবার বরাদ্দ দেওয়া আছে। ২০০ টন করে জিআর চাল দেওয়া আছে। শুকনো খাবারের প্যাকেট দেওয়া হয়েছে ৪৫ হাজার। একটা প্যাকেটে একটি পরিবারের পাঁচ জন সদস্যের উপযোগী খাবার দেওয়া আছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে আলো দেওয়া হচ্ছে। যেখানে সৌর প্যানেল নাই, সেখানে হ্যাজাক লাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আবার সংবাদ সম্মেলন করবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব নজিবর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে অস্থানরত প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, ফণী দু্র্বল হোক আর সবল হোক, এটাকে যেন খাটো করে দেখা না হয়। একটি প্রাণহানিও যাতে না ঘটে সেইভাবে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভূমিধসের আশঙ্কা থাকতে পারে। প্রস্তুতিতে এটাও যেন মাথায় থাকে সে ব্যাপারে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এসময় সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, আবহাওয়া অধিদফতরের সচিব সামসুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

পিপিবিডি/জিএম

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী,ডা. মো. এনামুর রহমান,ঘূর্ণিঝড় ফণী,সচিবালয়,সংবাদ সম্মেলন
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত