• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭
  • ||

‘বিদেশি প্রভুর ওপর ভর করে ক্ষমতায় যাওয়া বিএনপির নীতির মধ্যে পড়ে না’

প্রকাশ:  ০৯ আগস্ট ২০২০, ২১:৫৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমাদের মধ্যে যে জাতীয়তাবাদের চেতনা তাতে বিদেশি প্রভুর লেজের ওপর ভর করে ক্ষমতায় যাওয়া আমাদের নীতি-নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। রোববার (৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মর উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর শোক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আলাল বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে সুসজ্জিত মিথ্যাচারের যে বাক্স খোলা হয়েছে।সেই বাক্স থেকে অদ্ভুত অদ্ভুত প্রাণী বের হয়ে আসছে। অদ্ভুত অদ্ভুত সব চোর ডাকাত লুটেরা বের হয়ে আসছে। চিন্তা করতে পারেন যে ছাত্রলীগ নেতা ফেসবুকে মেয়ে আইডি খুলে অন্য ছেলেকে আকৃষ্ট করে। সেই ছেলে আকৃষ্ট হয়ে যখন কার সাথে ডেটিং করতে আসে তখন অস্ত্র ঠেকিয়ে তার সব কিছু লুট করে। সিলেটের হবিগঞ্জে পুলিশ অভিযান চালানো এক রঙ্গশালায়, সেখানে পাওয়া গেল তরুণ যুবক কিছু ছেলে ও কিছু মেয়েকে। যার বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের লোকজন পুলিশ তদন্ত করতে করতে দেখল রঙ্গশালার মালিক হচ্ছে দুজন- যার একজন হবিগঞ্জ জেলা মহিলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আর একজন হবিগঞ্জের জাতীয় মহিলা দলের সভাপতি। এই দুই বোন মিলে এ কাজ করেছে। আশ্চর্য লাগে এদেশের প্রতি তাকালে।’

সাবেক যুবদলের এই সভাপতি বলেন, ‘মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের পরে সেনাপ্রধান ও পুলিশপ্রধান একত্রিত হয়ে কিছু দিন পর পর চিৎকার করছেন। আমরা আইএসপিআরকে জানতাম এরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। সত্যের পূজারী এরা। সেই আইএসপিআরকে দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ানো হচ্ছে ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষার জন্য। সেনাপ্রধান ও পুলিশ প্রধানের যৌথসভার পরে বলা হচ্ছে- এটা নিয়ে যেন কেউ উস্কানিমূলক বক্তব্য না দেয়। উস্কানিমূলক বক্তব্য দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। উস্কানিমূলক বক্তব্য তো আমরা দেইনি। উস্কানি তো আপনারা দিচ্ছেন। কেন গতকাল বরগুনায় সিফাতের মুক্তির মানববন্ধনে পুলিশ লাঠিচার্জ করল? উস্কানি তো সরকার দিচ্ছে। উস্কানি তো অন্য কেউ দিচ্ছে না তারা দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পাকিস্তান ভারতবর্ষের কোথাও শুনি নাই। সেনাপ্রধান ও পুলিশ প্রধান একত্রে বসে কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন করে। এত বড় আকামের পরে কিছু একটা শুনবেন না এত বড় নবাবজাদা তো আপনারা হন নাই।

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান দুটি আলাদা জিনিস। সরকারের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেন নাই, আপনারা করেছেন রাষ্ট্রের জন্য। এ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ, সেনাবাহিনী, পুলিশ। পুলিশের কোথাও লেখা নাই আওয়ামী লীগ পুলিশ বা বিএনপি-পুলিশ লেখা আছে বাংলাদেশ পুলিশ। ওখানে লেখা আছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সুতরাং দায়িত্বরতরা যদি সচেতন না হন তাহলে মানুষ তো সমালোচনা করবেই।’

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে শোক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল প্রমুখ।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

বিএনপি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
cdbl
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close