• শনিবার, ৩০ মে ২০২০, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
  • ||

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন

পাশাপাশি বসে কি আলাপ করলেন রেজাউল ও শাহাদাত

প্রকাশ:  ০১ মার্চ ২০২০, ১৬:২৭ | আপডেট : ০১ মার্চ ২০২০, ১৬:৪৫
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
মনোনয়ন পত্র বাচাইয়ের সময় পাশাপাশি বসলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী ও বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র বাচাইয়ের সময় পাশাপাশি বসলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী ও বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। কুশল বিনিময় করে কথাও বলেছেন তারা। সবাই বলছেন দুজনের এভাবে পাশাপাশি বসে কথা বলা চসিক নির্বাচনকে আরও অর্থবহ করে তুলবে। এই নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে সবমহলে।

রোববার (১ মার্চ) চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমীতে রির্টানিং কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় দুই প্রার্থী বসে ছিলেন পাশাপাশি। দুজনের মধ্যে কুশল বিনিময়ও হয়।

নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল বলেন, তারা দুজন পাশাপাশিই বসেছেন। আমিও ডা. শাহাদাতের অন্য পাশে বসেছি। এসময় দুই মেয়র প্রার্থীই ছিলেন হাসিমুখে। দুই মেয়র প্রার্থীর মধ্যেও কথাবার্তা হয়েছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রেজাউল করিমের সঙ্গে কী কথা হয়েছে জানতে চাইলে শাহাদাত বলেন, উনাকে (রেজাউল) বলেছি, এটা আমাদের দুজনেরই প্রথম মেয়র নির্বাচন, আমরা যেন একটা উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন করতে পারি।

রেজাউল করিম বলেন, সৌজন্যমূলক কথা হয়েছে। তিনি আমার দীর্ঘদিনের পরিচিত। এমনি আলাপ, ভোট নিয়ে কোনো কথা হয়নি।

শাহাদাত বলেন, উনার (রেজাউল) রাজনৈতিক জীবন অর্ধ শতাব্দীর বেশি। আমারও ৩০ বছরের বেশি রাজনীতির সময়কাল, আমরা দুজন মিলে যদি জনগণকে ভোটকেন্দ্রমুখী না করতে পারি, তাহলে আমাদের এত দীর্ঘ সময়ের রাজনীতির কিই বা দাম আছে।

এর আগে মনোনয়ন পেয়ে চট্টগ্রামে ফেরার পর নগরীর পুরাতন রেল স্টেশনে সংবর্ধনার অনুমতি না পেয়ে সরকারি দলের প্রতি ক্ষোভ জানালেও প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অভিযোগ করেননি শাহাদাত।

নগর বিএনপির সভাপতি শাহাদাত বিগত সংসদ নির্বাচনে নগরীর কোতোয়ালি আসনে প্রার্থী হলেও নির্বাচন করেন কারাগারে থেকেই।

সিটি নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামায় শাহাদাত উল্লেখ করেন, তার বিরুদ্ধে ৪৮টি মামলা আছে, যার বেশিরভাগই রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত।

বিপরীতে চট্টগ্রামের রাজনীতির মাঠে সজ্জন হিসেবে পরিচিত নগর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমের প্রায় ৫৪ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কোনো মামলা নেই বলে হলফনামার তথ্য। রেজাউলও এখন পর্যন্ত প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহাদাতের বিষয়ে কোনো বিরূপ মন্তব্য করেননি। বরং মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রতিপক্ষকে ভোটের মাঠে 'ভালো খেলোয়াড়' বলেই অভিহিত করেছিলেন রেজাউল।

এবারের সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের মোট সাতজন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন রির্টানিং কর্মকর্তা।


পূর্বপশ্চিমবিডি/কেএম

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন,রেজাউল করিম,ডা. শাহাদাত হোসেন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close