• শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

গত নির্বাচনে জনগণ সার্টিফিকেট দিয়েছে আমি কে : সুলতান মনসুর

প্রকাশ:  ১২ নভেম্বর ২০১৯, ১৭:৫৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

কারও সার্টিফিকেট নিয়ে আমি রাজনীতি করি না বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ। তিনি বলেছেন, আমার সার্টিফিকেট দেওয়ার অধিকার জনগণের। গত নির্বাচনে জনগণ সার্টিফিকেট দিয়েছে আমি কে।

রোববার (১০ নভেম্বর) কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদকে ‘জাতীয় বেইমান’ ও বিকল্পধারা থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীনকে ‘বহিরাগত’ বলে আখ্যায়িত করেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় সোমবার (১১ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় সুলতান মনসুর এসব কথা বলেন।

সুলতান মনসুর আরও বলেন, আমার সম্পর্কে কে কি বললো তাতে কিছু যায় আসে না। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশে একে অন্যের বিষয়ে অনেক কথাই বলবে। এসব বিষয় নিয়ে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।

এদিকে দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের বক্তব্যকে সঠিক বলে দাবি করেছেন কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু। তিনি বলেন, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ দলের পক্ষ থেকে দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানে আমার কিছু বলার নেই। উনি যা বলেছেন তাই সঠিক।

কুলাউড়া আওয়ামী লীগের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ মৌলভীবাজার-২ আসনের সাংসদ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদকে ইঙ্গিত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী তাকে (সুলতান মনসুর) আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বানিয়েছেন, ডাকসুর ভিপি বানিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ভার দিয়েছিলেন, এমপি বানিয়েছেন। তবুও আওয়ামী লীগের সাথে বেইমানি করেছেন। নেত্রীর সাথে বেইমানি করেছেন। দলীয় নেতৃবৃন্দের বুকে ছুরি মেরে চলে গেছেন।

সাবেক এমপি মরহুম আব্দুল জব্বারের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে মিসবাহউদ্দিন সিরাজ বলেন, সুলতান মনসুর জব্বার ভাইকে কষ্ট দিয়েছেন। সেই কষ্ট থেকে আল্লাহ কোনোদিন রেহাই দেবেন না। বেইমান মুনাফিকের স্থান আওয়ামী লীগে হতে পারে না।

তিনি সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীনকে ইঙ্গিত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী কয়েক বছর আগে যখন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন তখন সেখানকার একটি পত্রিকায় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অনেক বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন হয়েছিল। তবে আজ সেই লোক সম্মেলনে বক্তব্য দিলেন। অথচ আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের অনেক পরীক্ষিত নেতা এই সভায় বক্তব্য দিতে পারলেন না। তাই সব নেতাকর্মীদের এসব বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের (সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ছাড়াও জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন।

এ বিষয় এম এম শাহীনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

পূর্বপশ্চিমবিডি/ওআর

রাজনীতি,আওয়ামী লীগ,সুলতান মনসুর
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত