• শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

ত্যাগী পদবঞ্চিতদের মূল্যায়ন করা হবে: শোভন

প্রকাশ:  ২৭ মে ২০১৯, ২০:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল ছাত্রলীগের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি। পূর্ণাঙ্গ কমিটির মাধ্যমে ছাত্রলীগ সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে নানান প্রদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। ঈদের পরপরই শুরু হবে মেয়াদ উত্তীর্ণ বিভিন্ন ইউনিট কমিটির পুণঃগঠন। দলের মধ্যে থাকা গঠনতন্ত্র বিরোধীদের বিষয়েও থাকবে কঠোর অবস্থান। সবমিলিয়ে ছাত্রলীগকে গৌরব উজ্জ্বল অতীতকে ধরে রাখতে নবগঠিত এ কমিটি কাজ করবে বলে জানান দলের শীর্ষনেতারা। পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের হতাশ না হয়ে কাজ করা আহ্বান জানিয়েছেন শীর্ষনেতারা।

এ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ঈদের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে মাঠ পর্যায়ে আরো বড় পরিসরে কাজ করবে ছাত্রলীগ। সেই সঙ্গে মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটিগুলো বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করা হবে।

পদবঞ্চিত থাকা ত্যাগী নেতাদের হতাশ না হয়ে কাজ করা আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির বেশি কয়েকটি পদ ফাঁকা হয়েছে। এ পদগুলোতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের ইতিহাস ত্যাগের ইতিহাস। ছাত্রলীগে ২-৩ হাজার নেতাকর্মী আছে পদ পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু সবাইকে আমরা পদ দিতে পারিনি। সবার প্রতি আমার আহ্বান, রাজনীতি একদিনের না, রাজনীতি করতে থাকেন। দলের বাইরে গিয়ে এমন কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটাবেন না, যাতে দল ও সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়, সংগঠন ক্ষতিগ্রস্থ হয়। দলের সাংগঠনিক নীতি মেনেই সবাই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন এবং শূণ্য পদের বিপরীতে ত্যাগী নেতাদের স্থান দেয়া হবে। সে জন্য কাজ করেন।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিতে দেরি হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কমিটি গঠনের একটি পক্ষ দাবি তুলেছিল সংগঠনের গঠনতন্ত্র বিরোধী কয়েকজনকে অন্তভূক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা তদন্ত করে ১৬ জনের নাম পেয়েছি। সে বিষয় নিয়ে আমরা তদন্ত করে দেখেছি। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নির্দোষ প্রমাণীত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

ছাত্রলীগের শীর্ষনেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছাত্রলীগের গৌরব উজ্জল অতীতকে ধরে রাখতে নবগঠিত কমিটি কাজ করছে। এ জন্য ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারীদের বাছাই করা, দলের মাদকাসক্তদের সনাক্ত করা, বিতর্কিতদের দল থেকে বাদ দেয়া ও সারাদেশে থাকা ছাত্রলীগ কর্মীদের ডাটাব্যাজ তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের বিভিন্ন ইউনিট কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন বিন সাত্তার বলেন, ছাত্রলীগের গৌরব উজ্জল অতীতকে ধরে রাখতে কাজ করবে শোভন-রাব্বানীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান এ কমিটি। সংগঠনের গঠনতন্ত্র বিরোধীদের চিন্থিত করতে আমার কাজ শুরু করেছি। তাদের বিষয়ে জিরো ট্রলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার স্বপ্ন পূরণ হবে এই সংগঠনের লক্ষ্য। আমরা কথা বলব সারা দেশের সাধারণ ছাত্রদের অধিকার নিয়ে। আমরা কাজ করব শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে। সবমিলিয়ে শোভন-রাব্বানীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান এ কমিটি ছাত্রলীগের নতুন ধারা রচনা করবে।

পিপিবিডি/এআইএস

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত