Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
  • ||

ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটির দাবি, দোষীরা চিহ্নিত হয়েছে

প্রকাশ:  ১৬ মে ২০১৯, ১৫:৫৩ | আপডেট : ১৬ মে ২০১৯, ১৬:৩৫
মাকসুদুল হক ইমু
প্রিন্ট icon

কেন্দ্রীয় সম্মেলনের একবছর পর ৩০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ। সোমবার (১৩ মে) সংগঠনের সভাপতি রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত কমিটির তালিকা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। কমিটি ঘোষণার পরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পদবঞ্চিতরা। এসময় নতুন কমিটির বিরুদ্ধে মিছিল করে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে তাতে হামলা চালায় পদপ্রাপ্তরা। এতে সাতজন আহত হন। এ ঘটনার পর সোমবার গভীর রাতেই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মারামারির বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির সহ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, আইন বিষয়ক সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন সাহাদাত এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পল্লব কুমার বর্মনকে সদস্য করে কমিটি গঠন করা হয়।

ছাত্রলীগের ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত কমিটিকে ৪৮ ঘন্টার মাঝে সরেজমিনে অনুসন্ধান করে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্যও নির্দেশ প্রদান করা হয়। সে অনুযায়ী আজ শেষ হচ্ছে সেই ৪৮ ঘণ্টার বেঁধে দেয়া সময়সীমা।

তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির এক নম্বর সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদ্য ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, গত ১৩ মে ইফতার পরবর্তী সময়ে মধুর ক্যান্টিনে যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য আমি সহ আরও দুই জনকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা ইতোমধ্যেই আমাদের তদন্তের কাজ গুছিয়ে নিয়ে এসেছি। তদন্তের স্বার্থেই আমরা তিনজনই সেইদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকলের সাথে কথা বলতে চেষ্ঠা করেছি। এরইমধ্যে আমরা কিছু ভিডিও ফুটেজ পেয়েছি, যেগুলার মাধ্যমে আমরা চিহ্নিত করছি যে কারা হামলার ঘটনায় জড়িত বা কারা এই হামলায় উষ্কানি দিয়েছে।

এসময় তিনি আরও বলেন, যেহেতু এই ঘটনাটি খুব সেনসিটিভ একটি ইস্যু আর আমি বা আমার তদন্ত কমিটির কেউ মধুতে উপস্থিত ছিলাম না সেহেতু আমাদের অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে মূল বিষয়টা বের করে নিয়ে আসতে।

আপনাদের তদন্তে এখন পর্যন্ত কি কাউকে দোষী পেয়েছেন কিনা বা কারা এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটায় এমন প্রশ্নের জনাবে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আসলে দেখুন আমি ও আমার কমিটি এখনও তদন্ত করছি, আর আমাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পূর্বে এমন ইস্যুতে কোন মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে আমি এতটুকু বলতে পারি আমরা আমাদের তদন্তে আসল দোষীদেরকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছি। আপনাকে একটা কথা বলি, মধুর ক্যান্টিনে কিন্তু শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই যে আসে তা কিন্তু না। এখানে সবাই আসে। আর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার পর একটা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেছে সেজন্যই আমরা ভিডিও দেখে ও যারা তখন সেখানে সাংবাদিক ভাইয়েরা সহ প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন তাদের সাথে কথা বলার চেষ্ঠা করেছি এমনকি সেদিন মধুর ক্যন্টিনের যারা কর্মচারী ছিলেন তাদের সাথেও আমরা কথা বলেছি। এই সকল কিছুর একটাই কারণ আমরা মূলত প্রকৃত সত্য ঘটনাটাকেই বের করে আনার চেষ্ঠা করছি।

সেদিনের হামলায় যারা আহত হয়েছেন তারা আপনাদের তদন্ত কমিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবিষয়ে আপনার মতামত কি জানতে চাইলে জয় জানান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এই উপমহাদেশের একটি সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এই সংঠনের নেতা কর্মীর সংখ্যাও কিন্তু কম না। সেদিনের ঘটনায় যারা আহত হয়েছেন তাদের এ অনেকেই আমাদের তদন্ত কমিটির সদস্যদের মধুতে উপস্থিত থাকার বিষয়ে যে মন্তব্য করেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তারা হয়ত তাদের নিজস্ব মতামত দিয়েছেন। আসলে এত বড় সংগঠনে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হতে সবাই চায়, যাদের নাম কমিটিতে আসেনি বা যারা পদবঞ্চিত তারাও পদ পাবার যোগ্য। আলোচনা সাপেক্ষে সবকিছু আবার আগের মত স্বাভাবিক হবে বলে আমার বিশ্বাস।

কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বেঁধে দেয় ৪৮ ঘণ্টার সময়ের মাঝে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার ব্যাপারে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমরা আজ রাতেই কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবো। প্রতিবেদনে কি আছে তা হয়তো আপনাদের প্রেস ব্রিফিং করে বা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

পিপিবিডি/এআইএস

ছাত্রলীগ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত