• রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২ কার্তিক ১৪২৮
  • ||

সারপ্লাস অর্থনীতির জন্য ভালো নয় বরং খারাপ খবর!

প্রকাশ:  ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৩৩
শফিকুল আলম

পৃথিবীর অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর সাথে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনৈতিক লেনদেনে একটা রূপান্তর ঘটেছে। ফলে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি পুরনো রাজনৈতিক পলিসির আঘাত কাটিয়ে নতুন আঁকার পেয়েছে।

১৯৮৬ সালে ট্রেজারার পল কিটিং এর সময়ে লেনদেনের ভারসাম্য (balance of payments) না থাকায় চলতি হিসাবে (current account) যে বড় ঘাটতি তৈরী হয়েছিলো এখন বরং দ্রুত সে ঘাটতি পূরন হয়ে উদ্ধৃত (surplus) তৈরী হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

    লেনদেনের ভারসাম্য বা balance of payments দু’টি দেশের, জনগনের এবং সরকারের ব্যবসায়িক লেনদেনের চিত্র তুলে ধরে। গত দুই দশকের অর্থনৈতিক লেনদেনের ইতিহাসে অন্যান্য দেশের সাথে ঘাটতি ছিলো। কারন অস্ট্রেলিয়া সব সময় এদেশে বিদেশীদের পুঁজি বিনিয়োগকে আকর্ষণ করে আসছে।

    কিন্তু গত সপ্তাহে গত দুই দশকে এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার চলতি হিসাবে জুন কোয়ার্টারে রেকর্ড পরিমান ২০.৫ বিলিয়ন ডলার সারপ্লাস তৈরী হয়েছে এবং পুরো আর্থিক বছরে ৬৮ বিলিয়ন ডলার।

    পর পর বা ধারাবাহিকভাবে গত নয়টি কোয়ার্টারে সারপ্লাস ১৯৭০ সালের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। ১৯৭০ সালে গম এবং উলের বাম্পার উৎপাদন এবং রপ্তানি আয়ের কারনে হয়েছিলো। যেমনটি ১৯৫১ সালে কোরিয়ায় উলের বাম্পার উৎপাদন সারপ্লাস তৈরী করেছিলো।

    খনিজের বাম্পার উৎপাদন এবং চায়নায় রফতানি, ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের সুপার এনুয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে বিদেশী পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ, বর্ডার বন্ধ থাকায় বৈদেশিক লেনদেন না হওয়া ইত্যাদি কারনে এই সারপ্লাস তৈরী হয়েছে।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে দেশের চলতি হিসাবে সারপ্লাপ তৈরী হওয়া কি দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার জন্য ইতিবাচক না নেতিবাচক? ব্যবসায়-বানিজ্যে বা অর্থনৈতিক লেনদেনে সারপ্লাস তৈরী হওয়া দেশের দক্ষ অর্থনৈতিক ব্যবস্খাপনা বা ইতিবাচক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা নির্দেশ করেনা। কেনো করেনা? এর অর্থ দাঁড়ায় সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় অব্যবস্থাপনার কারনে অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ হয়নি। পূন: বিনিয়োগ না হলে অব্যাহতভাবে রেভিনিউ জেনারেট হবেনা। সঙ্গত কারনে অর্থনীতির আঁকার বৃদ্ধি পাবেনা। দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবেনা। বেকার সমস্যা তৈরী হবে। দেশে উৎপাদন কম হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পাবেনা। প্রয়োজনে দেশ আমদানি ব্যয় মেটাতে সক্ষমতা হারাবে। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক Warwick McKibbin এর মতে এটি স্বল্প সময়ের জন্য হলেও অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতির জন্য একটি বড় পরিবর্তন। MacKibbin মনে করেন যেহেতু অস্ট্রেলিয়ার খনিজ সম্পদ আহরনে বিনিয়োগ বিশেষ করে আয়রন ওর, কয়লা এবং প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদিতে অত্যধিক লাভজনক সেহেতু বিদেশীরা বিনিয়োগে বেশী আগ্রহী এবং বিনিয়োগ করে থাকে। খনিজ সম্পদ আহরনে অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরীণ নিজস্ব বিনিয়োগও হাই রেট অব রিটার্ন নিশ্চিত করে। অস্ট্রেলিয়ার খনিজ সম্পদ আহরনে বিদেশীরা আরও বেশী বিনিয়োগে আগ্রহী। কারন, এতো বেশি রেট অব রিটার্ন অন্য কোথাও নেই। যখন বাইরের বিনিয়োগ বেড়ে যায় তখন অস্ট্রেলিয়ার কারেন্ট এ্যাকাউন্টে উদ্ধৃত তৈরী হয়। তখনই মূলত: প্রয়োজন অর্থনৈতিক বিনিয়োগে দক্ষতার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহন। সারপ্লাস কোনো অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায়ই সরকারের দক্ষতার প্রমান বহন করেনা।

    যদিও এক সময় অস্ট্রেলিয়া বিদেশী বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল ছিলো। এখন বরং বিদেশী বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতি প্রসারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কারন তাদের অর্থনীতি প্রসারে অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ মেটাতে বরং সারপ্লাস মানি রয়েছে।

    গত ১০০ বছর ধারাবাহিক অস্ট্রেলিয়ার চলতি হিসাবে ঘাটতি ছিলো। কারন, ধারাবাহিকভাবে মাইনিং বুম থাকায় অব্যাহতভাবে অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ ছিলো। আর এই বিনিয়োগ পৃথিবীর সকল দেশের থেকে সব সময়ই লাভজনক ছিলো।। অপরপক্ষে সমভাবে বিদেশী বিনিয়োগও ছিলো বিধায় প্রচুর পরিমানে ক্যাপিটাল ইনফ্লো হয়েছে। ফলে এখন যে ক্যাপিটাল সারপ্লাস তৈরী হয়েছে তা অর্থনীতিবিদদের কাছে অবশ্যই একটি বিবেচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ম্যাকরো এ্যানালাইটিকস্ এর প্রধান অর্থনীতিবিদ Michael Blythe বলেন চলতি হিসাবে ঘাটতি মানে দেশের অর্থনীতির দ্রুত সম্প্রসারণ হচ্ছে এবং একই সাথে দেশের জনগনের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করে। অর্থাৎ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে জীবনমান উন্নয়নের জন্য অব্যাহতভাবে খরচ করবে এবং অর্থনীতির চাকা বৃত্তাকারে ঘূর্নায়মান থাকবে। সুতরাং, সারপ্লাস কোনো দেশের অর্থনীতির জন্য ভালো নয়। এটি কোনো একটি সরকারের অদক্ষতার পরিচায়ক। অর্থের সরবরাহ বাজারে চলোমান না থাকলে (ব্যক্তি কিম্বা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সারপ্লাস হোক) অর্থনীতি স্টাগন্যান্ট হয়ে যায়। অর্থনীতির আঁকার সংকুচিত হয়। বেকার সমস্যা তৈরী হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অস্ট্রেলিয়ায় জাতীয় আয়ের সন্চয়ের পরিমান বিনিয়েগের পরিমান থেকে অনেক বেশি হওয়ায় এই সারপ্লাস তৈরী হয়েছে। এই লোয়ার রেট অব ইনভেস্টমেন্ট অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রচ্ছন্ন নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ কম হওয়া এবং অর্থের সারপ্লাপ তৈরী হওয়ার অন্যতম কারন বেশ কয়েক বছর অব্যাহভাবে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্যমান কম থাকা। এর ফলে অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশীরা বিনিয়োগব্যয় কম থাকায় বেশি বিনিয়োগ করেছে। অপরদিকে অস্ট্রেলিয়ান আয়রন ওর কমদামে চায়নাসহ সকল দেশ কিনতে পেরেছে। সুতরাং একদিকে অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ কম হয়েছে; অপরদিকে রপ্তানি আয় বেশি হয়েছে। ডলারের মূল্যমান কম থাকায় রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ কম হওয়ায় দু’দিক থেকে সারপ্লাস তৈরী হয়েছে।

    অথচ ১৯৮০ সালে যখন পল কিটিং ট্রেজারার ছিলেন তখন ট্রেজারী কর্মকর্তাগন তাঁকে ভুল ব্রিফিং করে বুঝিয়েছিলেন চলতি হিসাবের ঘাটতি মানেই অর্থনীতির জন্য খুব খারাপ। বিপরীতে সারপ্লাস মানেই অর্থনীতির স্বাস্থ্য ভালো। পুরোটাই ভুল ছিলো।

    বাংলাদেশে অবশ্য ৪০ বছর পরে মন্ত্রীসভার নানান সদস্যদের মুখে একই বুলি শোনা যায়। এই সমস্ত নির্বোধেরা যেমন প্রধানমন্ত্রীকে সারপ্লাসের কথা বলে মিথ্যা অর্থনীতি স্বাস্থ্যবান রয়েছে বলছেন; অন্যদিকে মন্ত্রীপরিষদের অধিকাংশ সদস্য অর্থনৈতিক বিষয়ে নির্বোধও বটে।অর্থনীতির জটিল বিষয়াদি বুঝেনওনা।

    ট্রেজারীর ভুল হিসাব এবং অনুমান ১৯৯০-৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলায় বরং সাহায্য করেছিলো। ঘাটতি দূরীকরনে যেসমস্ত পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলো তার মধ্যে ব্যাংকের সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছিলো। সুদের হার বেড়ে ২০% হয়েছিলো। ফলে ব্যাংকলোন নিয়ে কেউ আমদানি করতে উৎসাহিত হয়নি। তেমনি জনগন তাদের ব্যয় কমিয়ে দেয়ায় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিলো (ইনফ্লেশন রোধ করা সম্ভব হয়েছে)। এই সমস্ত পদক্ষেপ সরকার মূলত: রিসেশনের কথা অনুমান করে সেই সময়ে নেয়নি। তারা মূলত: সারপ্লাস তৈরী করতে গিয়ে ঐ সমস্ত পদক্ষেপ নিয়েছিলো।

    তবে ঐ সময়ে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক প্রয়াত John Pichford মিডিয়ায় এবং অর্থনীতিবিদদের মধ্যে ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন ট্রেজারী ভুল পদক্ষেপে ছিলো। তিনি ঐ সময়ে ট্রেজারীর সারপ্লাস তৈরীর প্রচেষ্টা যে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হ্রাস করবে তা’ বলেছিলেন। কারন, যতো বেশি বিনিয়োগ হবে ততো বেশি কর্মসংস্থান হবে। উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। ভোগ্য পন্যের আমদানি কমবে। মানসম্মত পন্যের উৎপাদন রপ্তানি বৃদ্ধি করবে এবং পূন:বিনিয়োগ নিশ্চিত করবে। অর্থনীতি আঁকারে বাড়তেই থাকবে। মানুষের জীবনমানও বৃদ্ধি পাবে। এই বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে চলতি হিসাবে ঘাটতি হলে তা’ অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক নয়। কারন, ঘাটতি যেকোনো সময় পূরন হবে; যখন রিটার্ন আসা শুরু করবে। ঐ সময়ে অধ্যাপক জনের বিরোধিতা শুধু ট্রেজারীর আমলারাই করেননি অনেক অর্থনীতিবিদও করেছিলেন। এখন অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক Ranee Tourky বরং John কে হিরো হিসেবে সম্বোধন করছেন।

    চলতি হিসাবের ডাটা দিয়ে অর্থনীতির স্বাস্থ্য সব সময় পরিমাপ করা যাবেনা। যদি আমরা রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি করে থাকি তবে অর্থনীতির স্বাস্থ্য অবশ্যই খারাপ বলতে হবে।

    ঐ সময়ে ৮০’র দশকে অস্ট্রেলিয়ায় মাইনিং সেক্টরে বিনিয়োগে বিদেশীরা বেশি আগ্রহী থাকায় এখানে বিনিয়োগ করেছে। বড় বড় মেশিনপত্র স্থাপন করেছে। ঐ সমস্ত স্থাপনা ঘিরে নগরায়ন হয়েছে। বিদেশী বিনিয়োগকে সহায়তা করে তৈরী করতে হয়েছে অবকাঠামো। অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগও হয়েছে সমান তালে। যা’ দেশের অর্থনীতির জন্য অবশ্যই ভালো ছিলো। কিন্তু ঐ সময়ে এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে ট্রেজারী পলিসি এক পর্যায়ে অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    ঐ সময়ের স্থাপনা এবং মাইনিং সেক্টরের ফসল অস্ট্রেলিয়া এখনও পুরোদমে ভোগ করছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে চায়না খনিজ আমদানি করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও অস্ট্রেলিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলছে।

    আমদানি-রপ্তানির ফলে যে ক্যাশফ্লো তৈরী হয় তা’ অর্থনীতির পুরো চিত্র নয়। ক্যাপিটাল এ্যাকাউন্ট এবং ফাইনানসিয়াল এ্যাকাউন্ট অর্থনীতির আরও অর্ধেক চিত্র বহন করে। অর্থাৎ সম্পদ এবং দায়ের হিসাবও মেলাতে হবে।

    ঐতিহাসিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়-বানিজ্যের মালিকানা দেশের মানুষের থেকে বিদেশীরা বেশি ছিলো। তবে গত ৮ বছরে অস্ট্রেলিয়ার সুপার এ্যানুয়েশন ফান্ড ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পাওয়ায় তারাও বিদেশী কোম্পানীর শেয়ারে বিনিয়োগ করে যেমন কোম্পানির মালিকানা গ্রহন করছে এবং এ্যাসেট বৃদ্ধি করছে। সুপার এ্যানুয়েশন ফান্ড বর্তমানে ২০% বিদেশী কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিদেশী স্টক ইকুয়িটির মূল্য এখন ১.৯ ট্রিলিয়ন ডলার। সুপার ফান্ড এখন জিডিপি’র ১৫৭%। এতো অর্থ বিনিয়োগ করার মতো অস্ট্রেলিয়ার শেয়ার মার্কেটের ক্যাপাসিটি নেই।

    অপরদিকে অজি ডলারের মূল্য মার্কিন ডলারের থেকে কম থাকায় পূর্বে বিনিয়োগকৃত বিদেশী শেয়ারের মূল্য বেড়ে গেছে। ফলে অস্ট্রেলিয়ার মালিকাধীন সম্পদের মূল্যমানও বেড়ে গেছে।

    McKibbin মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার সারপ্লাস অব্যাহত থাকবে। কারন, আয়রন ওরের দীর্ঘমেয়াদী চাহিদা তৈরী হয়ে আছে চায়না এবং ইন্ডিয়ার কাছে। একমাত্র আয়রন ওরের রপ্তানি আয়ই সব সময় সারপ্লাস তৈরী করতে থাকবে। অপরদিকে LNG (liquified natural gas) এবং অন্যান্য খনিজ যেমন নিকেল,কপার, লিথিয়াম এবং কোবাল্ট ইত্যাদি ব্যাটারীজ এবং ইলেকট্রিক ভেহিকেলের জন্য অপরিহার্য চাহিদা তৈরী করবে।

    পোস্ট প্যানডেনিক বিনিয়োগ বাড়বে। অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক উভয় ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়বে। বিশ্ব ঘুরে দাঁড়ালে অস্ট্রেলিয়ার রপ্তানি বাড়বে। অধিকাংশ দেশ অস্ট্রেলিয়ার খনিজ আহরনে আগ্রহী। তবে এই সারপ্লাস দীর্ঘ মেয়াদে থাকবেনা। দীর্ঘ সময় ধরে খনিজ সম্পদের ভান্ডার মজুদ থাকবে তা’ নয়। তবে অস্ট্রেলিয়া এখন পর্যন্ত এতো বেশি সম্পদে পরিপূর্ণ যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা আরও দীর্ঘদিন থাকবে।

    লেখক: অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাবেক ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close