Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
  • ||

গবেষণার সংস্কৃতি হোক আমাদের জীবনের অংশ

প্রকাশ:  ২৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৩৯
ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী
প্রিন্ট icon

একটি দেশের উন্নয়নের জন্য গবেষণা দরকার। আর গবেষণা চালানোর জন্য গবেষক প্রয়োজন। প্রশ্ন হতে পারে, কিভাবে গবেষক সৃষ্টি করে গবেষণা কর্মে আকৃষ্ট করা যায়। গবেষণা করার জন্য যেমন অর্থের প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন গবেষণার মানসিকতা। এই মানসিকতা অর্থ দিয়ে গড়ে তোলা সম্ভব নয় যতক্ষণ না গবেষণাকে সংস্কৃতির একটি সমৃদ্ধ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। তবে সংস্কৃতির এই ধারণা একজন মানুষের মধ্যে শৈশব কাল থেকেই গড়ে তুলতে পারলে তা সফল হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এটা বলা কঠিন সংস্কৃতি শিক্ষার অংশ নাকি শিক্ষা সংস্কৃতির অংশ। তবে এগুলো যে একে অন্যের পরিপূরক তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

বাঙালির সংস্কৃতি সৃষ্টিশীল আর এর মাধ্যমে দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপকতা গড়ে তোলা সম্ভব। তবে প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের শিক্ষার বর্তমান ধারা আবহমান সংস্কৃতির মতো সৃষ্টিশীল কিনা। অথবা সংস্কৃতির প্রতিফলনের মাধ্যমে শিক্ষাকে সামগ্রিক অর্থে উদ্ভাবনমুখী ও সৃজনশীল করা যাচ্ছে কিনা। কিংবা শিক্ষা প্রকৃত জ্ঞান অনুসন্ধানের মাধ্যমে সংস্কৃতিতে পরিণত হচ্ছে কিনা বা সংস্কৃতির সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারছে কিনা এই বিষয়গুলো ভাবা গুরুত্বপূর্ণ। অনেকক্ষেত্রে শিক্ষার প্রয়োগ যখন প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির উপাদান তৈরী করতে সক্ষম হয়, তখন শিক্ষার মাধ্যমে নতুন নতুন সংস্কৃতি গড়ে তোলার ভাবনা সৃষ্টি হয়। ছোট ছোট উদাহরণ গল্পের মতো করে উপস্থাপন করে অথবা হাতে কলম সহজভাবে কোনো একটি বিষয়কে দেখানোর মাধ্যমে পাঠ দান হতে পারে। এতে শিক্ষা দুর্বোধ্য বা মানসিক চাপ না হয়ে একজন শিক্ষাথীর কাছে সহজ সরল আনন্দের অনুসর্গ হিসাবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষাকে প্রকৃত অর্থে ধারণ করা ও বাস্তব জীবনে তার প্রয়োগ করা সম্ভব হবে। শিক্ষার্থীরা শিক্ষার আরোপিত চাপ থেকে মুক্ত হয়ে একটি ধারণা থেকে বহুমাত্রিক ধারণা তৈরী করতে সক্ষম হবে। আবার একেকজনের ভাবনার দৃষ্টিভঙ্গি একেকরকম হওয়ায় তার ভিন্নতা থাকা সত্বেও তা শিক্ষার্থীর নিজেস্ব স্বকীয়তা অর্জনে ভূমিকা রাখবে। এতে প্রথমে সহজ শিক্ষা দান, সেখান থেকে নতুন চিন্তার উদ্ভাবন ও বৈচিত্রপূর্ণ ভিন্নমুখী নতুন ধারণা একে অন্যের সাথে শেয়ারের মাধ্যমে শিক্ষার সম্প্রসারণ ও মেধার বিকাশ নিশ্চিত হবে। আর এটি শিক্ষার ব্যবস্থা ও কাঠামোর মূল লক্ষ হওয়া উচিত।

আমরা জানি বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিদ আইজ্যাক নিউটন মাধ্যাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেন। তিনি তার বাড়ির আঙিনার একটি আপেল গাছের নিচে বসে ছিলেন। এসময় সেই গাছ থেকে একটি আপেল পড়ে তার মাথায়। আপেল কেন উপরে কিংবা আশেপাশের দিকে না গিয়ে সোজা নিচের দিকে এল, এই চিন্তা করতে করতে তিনি মাধ্যাকর্ষের ধারণা পেয়ে যান। ছোটবেলায় বিজ্ঞানের বইয়ে মাধ্যাকর্ষ আবিষ্কারের এই গল্প পড়ার সময় নিশ্চয় অনেকের মনে সেই গাছটি নিয়ে কৌতুহল জাগে। মজার ব্যাপার হলো, সেই আপেল গাছটি এখনো দাঁড়িয়ে আছে যুক্তরাজ্যে নিউটনের লিংকনশায়ারের বাড়িতে। নিউটনের মাথায় আপেল পড়ার ঘটনা লিপিবদ্ধ আছে অষ্টাদশ শতাব্দির একটি পান্ডুলিপিতে, যেটির লেখক উইলিয়াম স্টুকিল। তিনি নিউটনের বন্ধু। ওই পান্ডুলিপিতে তিনি লিখেছেন, নিউটন আমাকে বলেছিলেন আপেল গাছটির নিচে তিনি গভীর চিন্তামগ্ন ছিলেন। এসময় আপেলটি মাথার উপর পড়ার কারণেই তিনি বিষয়টি নিয়ে ভাবতে বসেছিলেন। এই ভাবনা থেকে বের হয়ে আসে আজকের মাধ্যাকর্ষ সূত্র। নিউটন এই গল্প তার ছাত্রদেরও বলতেন। গল্পটি সত্য না মিথ্যা সে বিষয়ে যাবো না কিন্তু এই ধরণের বাস্তব উদাহরণ শিক্ষকরা তৈরী করে সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবতে শেখাবেন এটিই হওয়া উচিত।

আর্কিমিডিসের সময়কার রাজা হিয়োরো-২ একবার কারিগরদের কাছে তার জন্য একটি মুকুট তৈরী করার জন্য কিছু পরিমাণ স্বর্ণ তাদের দেন। যথাসময়ে তার মুকুট তৈরী হলেও তিনি সন্দেহ করেন যে, কারিগররা এতে খাদ যুক্ত করেছে। সন্দেহ দূর করতে তিনি আর্কিমিডিসের শরণাপন্ন হন। তিনি আর্কিমিডিসকে মুকুটটি পাঠিয়ে দেন এবং সমস্যার সমাধান করতে বলেন। এদিকে আর্কিমিডিস পড়ে যান গভীর চিন্তায়। তার জানা ছিল যে, সোনার ঘনত্ব রূপার চেয়ে বেশি। তাই এক ঘন সেন্টিমিটার সোনার ওজন সমপরিমাণ রূপার চেয়ে বেশি হবে। কিন্তু মুকুটটির আকৃতি সুষম ছিল না। ফলে এর আয়তন নির্ণয় করাও সম্ভব ছিল না। এক্ষেত্রে একটি কথিত গল্প আছে যে, আর্কিমিডিস একটি চৌবাচ্চায় গোসল করার সময় পানি উপচে পড়তে দেখে পানির প্লবতা এবং মুকুটের খাদ নির্ণয়ের উপায় বের করেন। তখন তিনি ‘ইউরেকা, ইউরেকা’ বলে চিৎকার করতে করতে রাজপ্রাসাদের দিকে ছোটেন। তিনি তার আবিষ্কারে এতটাই চমৎকৃত হন যে, বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়াতে শুরু করেন। কিন্তু অনেক ঐতিহাসিক এই গল্প অস্বীকার করেন। সে যা-ই হোক। আর্কিমিডিসের মাথায় খেলে গেল সেই যুগান্তকারী বুদ্ধি। তিনি একটি পানিপূর্ণ চৌবাচ্চায় এক কেজি সোনা ডুবিয়ে কি পরিমাণ পানি উপচে পড়ে তার সাথে একই পরিমাণ রুপা ডুবিয়ে কি পরিমাণ পানি উপচে পড়ে তার তুলনা করেন। দেখা যায়, রুপা ডুবালে পানি অধিক উপচে পড়ছে। তখন তিনি মুকুটের সমপরিমাণ সোনা এবং মুকুটটি আলাদা আলাদা করে পানিতে ডোবান। দেখা যায় মুকুট ডোবালে অধিক পানি পড়েছে। এতে প্রমাণিত হয়ে যায় যে, মুকুটে খাদ ছিল। এ ধরণের বাস্তব পরিবেশ তৈরী করে শিক্ষাকে সাজানো হলে তা শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতাকে বিকশিত করবে। তার মধ্যে কৌতূহল তৈরী হবে, জানার আগ্রহ বাড়বে আর ভাবনা তাকে উদ্ভাবনের দিকে নিয়ে যাবে। এটি যে কেবল বিজ্ঞানের মাধ্যমে ভাবনার ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে তা নয় যে কোনো বিষয়ের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হতে পারে। যদি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা যায় তবে দেখা যাবে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো সংকোচিত পাঠ্য পুস্তকের জ্ঞানকে স্মৃতির মধ্যে ধারণ করে রাখা। যা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মেমোরিতে থাকে কিন্তু পরীক্ষা দেবার পর তা আর অর্থবহ থাকেনা। ফলে শিক্ষার মাধ্যমে জ্ঞান বৃদ্ধি ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির ধারণা লক্ষচ্যুত হয়। আবার শিক্ষা যে জীবনের একটি অংশ আর তার মাধ্যমে নতুন জ্ঞানের উদ্ভাবন যে মানুষের চিন্তা শক্তিকে বাস্তবের অন্যান্য বিষয়ের সমাধানের ক্ষেত্রে যোগ্য করে তোলে তার সঠিক প্রয়োগ নেই। পৃথিবীর অনেক দেশে পাঠপুস্তকগুলি কেমন হতে পারে এই ধরণের গবেষণা কর্ম অব্যাহত আছে। যেমন নিউজিল্যান্ডের হরাইজন রিসার্চ বিভিন্ন ধরণের পাঠপুস্তকসহ সৃজনশীল বইয়ের উপর গবেষণা করে। এই গবেষণার মূল লক্ষ হলো মানুষের ভেতরের হিডেন প্রতিভার বিকাশ কিভাবে সম্ভব তার যৌক্তিক কৌশল খুঁজে বের করা। কথাসাহিত্যের মতো বইগুলো লেখা হলে বইয়ের কালো অক্ষর বইয়ের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে তা মানুষকে বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করবে ও তার অজানাকে জানার আগ্রহ বাড়াবে। পিটার অ্যাটকিনস ক্লাসিক পাঠ্যবই লিখে থাকেন। তার ফিজিক্যাল কেমিস্ট্রি বইটি বিজ্ঞান গ্রন্থ হলেও তা কথা সাহিত্যের আদলে লেখা হয়েছে।

অ্যাটকিনস ব্যাখ্যা করেন কীভাবে পাঠ্যবইয়ে জীবনবোধ ও সহজ উপস্থাপন গবেষণাকে প্রভাবিত করে গবেষক তৈরি করতে পারে। বইকে মানুষের গ্রহণ উপযোগী করে লেখার পরিকল্পনা, কৌশল ও বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে আমাদের দেশেও বইয়ের ওপর গবেষণার প্রয়োজন আছে। কারণ এখনো আমাদের আমাদের দেশে পাঠ্য পুস্তক কেমন হবে এ নিয়ে গবেষণা না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বইবিমুখ হয়ে পড়ছে। যেটা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কল্যানকর নয়। যদিও সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হয়েছে তবে তা বাস্তবতার, জীবন ও সংস্কৃতির সাথে সম্পৃক্ত না হয়ে তার সঠিক ফলাফল অর্জিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিকে দায়ী করা ঠিক নয় বরং এর ব্যবহার, প্রয়োগ ও গ্রহণ করার সংস্কৃতি গড়ে তোলা যায়নি। একেবারে প্রাথমিক স্তরে পরীক্ষা শিক্ষার্থী মূল্যায়নের সঠিক প্রক্রিয়া না হয়ে তা বরং শিক্ষর্থীদের মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি মনস্তাত্বিক জটিলতা তৈরী করছে। আরেকটি বিষয় এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে তা হলো শিক্ষা মনের ও দৃষ্টিভঙ্গির উদারতা তৈরী না করে মানুষের মধ্যে স্বার্থপরতা তৈরী করছে। যা মনস্তাত্বিক ও সমাজতাত্বিক বিশ্লেষণে বিরূপ প্রভাব রাখতে পারে। যখন একজন শিক্ষার্থীকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে বলে অভিভাবকরা শৈশব থেকে তাদের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে তখন তাদের চিন্তার জগতের সীমা কমে আসে ও তার উদার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরী হওয়ার জায়গাটি বাধাগ্রস্থ হয়। এটি এ কারণে বলা হচ্ছে যখন একজন মানুষের উপর তার মনের বাইরে কোনো একটি বিষয় আরোপিত করা হয় তখন তার নিজেস্ব চিন্তাধারা গড়ে উঠেনা। তার মধ্যে একধরণের স্বার্থপরতা তৈরী হয়। ফলে সে তার আশেপাশের সবাইকে মানবিক দৃষ্টিতে না দেখে তার প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে কল্পনা করে। প্রকৃত একজন সমাজ ও রাষ্ট্রের মানুষ হিসেবে সে গড়ে উঠেনা। কিন্তু একজন শিক্ষার্থীকে যদি বলা হতো শিক্ষার মাধ্যমে তাকে প্রকৃত মানুষ হতে হবে তবে তা সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হতো। ফলে তার মধ্যে উদার দৃষ্টিভঙ্গি ও সমাজের সকলকে এগিয়ে নেবার নিঃস্বার্থ গুণাবলী গড়ে উঠতো। এখানে সমাজের প্রচলিত এককেন্দ্রিক মানসিকতাক শিক্ষার লক্ষকে ব্যর্থ করছে। এখানে যে বিষয়টি চলে আসে তা হলো শিক্ষার কারণে এক কেন্দ্রিক মানসিকতা তৈরী হচ্ছে নাকি মানসিকতার কারণে শিক্ষা তার গতিপথ হারাচ্ছে। তবে একটি অপরটির যে পরিপূরক তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কিন্তু শিক্ষা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চললেও শিক্ষার মাধ্যমে নতুন শিক্ষার সৃষ্টি, উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ও অন্তর্নিহিত ভাবনার বিষয়টি কেন মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করছেনা তা সমাজতাত্বিক, মনস্তাত্বিক ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করা উচিত। এসব বিষয় বিচার করে শিক্ষাকে সৃষ্টিশীল করে গবেষণার মনোভাব শিক্ষার্থীদের মধ্যে গড়ে তোলা দরকার। যদিও বলা হয়ে থাকে মেধা বা উদ্ভাবন মনস্কতা গড গিফটেড, কিন্তু বিষয়টি এভাবে সরল বিশ্লেষণ করা উচিত নয়। যদি শিক্ষার পরিবেশকে উদ্ভাবনমুখী শৈশব থেকেই করা যায় তবে গবেষণা জীবনের অবিচ্ছেদ অংশে পরিণত হবে। আর সময়ের সাথে সাথে এটি সংস্কৃতিতে রূপান্তরিত হবে ।

শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে বিশ্বে সমাদৃত উত্তর ইউরোপের ছোট দেশ ফিনল্যান্ড ‘এডুকেশন সুপার পাওয়ার’ হিসেবে আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে গেছে। ২০০০ সালে প্যারিসভিত্তিক গেøাবাল অর্থনৈতিক সংস্থা ওইসিডি এর ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ওপর পরিচালিত প্রথম পিসা টেস্টের তিনটি ক্যাটাগরিতেই (রিডিং, সাইন্স এবং ম্যাথ) ৪৩টি দেশের মধ্যে প্রথম সারিতে অবস্থান করে ফিনল্যান্ড। অন্যদিকে এ তালিকায় সুইডেনের অবস্থানও শীর্ষ পর্যায়ে, যেখানে ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৮০টি দেশের শিক্ষার্থীরা পিএইচডি গবেষণারত। তবে আশার কথা হচ্ছে, বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এই দেশ দুটির তুলনায় বাংলাদেশের শিক্ষা পিছিয়ে থাকার কারণ ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের মাধমে উন্নত ও জীবন মুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োগ করে গবেষক তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। আর গবেষক তৈরী হলে উন্নত রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়াও গতিশীল হবে।


লেখক: শিক্ষাবিদ ও কলামিষ্ট। ই-মেইল: [email protected]

ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত