• বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯
  • ||

মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেনে সর্তকতার আহ্বান ডিএমপির

প্রকাশ:  ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩:২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেনে ব্যবসায়ীদের থানা পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার পাশাপাশি নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা বসানোর আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, ছিনতাইকারী অথবা ডাকাত চক্রের সোর্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকসহ বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও টাকা লেনদের ক্ষেত্রে আরও বেশি সর্তক হতে হবে।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

শুক্রবার রাজধানীর কাজলা, সাভারের কাউন্দিয়া ও পটুয়াখালী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ছয় ডাকাতকে গ্রেফতারের পর এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– সোহাগ মাঝি, মো. দেলোয়ার, মো. জয়নাল হোসেন, মো. সোহেল, মো. জনি এবং মো. আজিজ। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে নগদ ২০ লাখ টাকা, একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, গত ১৩ নভেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে ব্যবসায়ী কেরামত আলী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার দড়িগাঁও বাজারে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাগে করে নগদ ৮৫ লাখ টাকা নিয়ে পিকআপে আব্দুল্লাপুরের সাউথ ইস্ট ব্যাংকের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে অজ্ঞাত ১০-১২ জন ডাকাত ব্যবসায়ী কেরামত আলীর পথরোধ করে নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কেরামত আলীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৪ নভেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি ডাকাতির মামলা হয়। ওই মামলার ঘটনায় ঢাকা জেলা পুলিশ, র‌্যাব, পিবিআই'র পাশাপাশি ছায়া তদন্ত করছিল ডিবি লালবাগ বিভাগ।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে ডিবি প্রধান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ডাকাতির জন্য কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়। ডিবি পুলিশ, সিআইডি, র‌্যাবের পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকসহ আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থান নেয়। ব্যবসায়ীসহ আর্থিক লেনদেনকারীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে।

তিনি বলেন, সিসি ক্যামেরা নেই এমন নিরিবিলি জায়গায় সুযোগ বুঝে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীদের পথরোধ করে ডাকাত দলের সদস্যরা। এরপর তাদের নামে মামলা অথবা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে বলে টাকার ব্যাগসহ গাড়িতে তুলে নেয়। সুবিধামতো জায়গায় টাকা অথবা মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করে নির্জন এলাকা বা রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ডাকাতির আগে ঘটনাস্থল রেকি করার কাজে মোটরসাইকেল এবং ডাকাতির কাজে তারা মাইক্রোবাস ব্যবহার করে। ডাকাতির কাজে তারা হ্যান্ডকাপ, ওয়্যারলেস ও খেলনা পিস্তল ব্যবহার করে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে।

ডিএমপি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close