• বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯
  • ||

টিকিট পাওয়ার আনন্দ

প্রকাশ:  ০১ জুলাই ২০২২, ১০:১০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মো. ওসমান গণি। রাজধানীর বসুন্ধরা ইসলামিক রিচার্স সেন্টারের ছাত্র। গ্রামের বাড়ি দর্শনা। ঈদের আনন্দকে স্বজনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে ছুটে যেতে চান গ্রামের বাড়িতে। তাই টিকিটের জন্য কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শহরতলী কাউন্টারে ৩ বন্ধুকে নিয়ে দাঁড়িয়েছেন গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা ৭টায়। রাতভর না খেয়ে, না ঘুমিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পর শুক্রবার (১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে টিকিট পেয়েছেন তিনি। ওসমান গণি বলেন, টিকিট হাতে পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। সারারাতের ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে।

একইভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন আরেক কলেজছাত্র ওয়াসিফ। তিনি যাবেন সিরাজগঞ্জ। ওয়াসিফ বলেন, গতকাল রাত ৯টায় এসে দাঁড়িয়েছিলাম কাউন্টারে। দীর্ঘ অপেক্ষকার পর টিকিট পেয়ে খুব ভালো লাগছে। নিশ্চিন্তে এবার বাড়ি যেতে পারব।

ওসমান গণি ও ওয়াসিফের মতো দীর্ঘ অপেক্ষার পর যারা টিকিট নামের সোনার হরিণকে হাতে পেয়েছে তাদের সবার মুখেই আনন্দ আর উচ্ছ্বাস। যারা টিকিট হাতে পাননি তাদের মধ্যে টিকিট পাওয়া নিয়ে রয়েছে শঙ্কা।

সরেজমিনে শুক্রবার সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, স্টেশনের মূল কাউন্টার থেকে উত্তরবঙ্গের আর স্টেশনের শহরতলী কাউন্টার থেকে দেওয়া হচ্ছে খুলনা ও রাজশাহী রোডের ট্রেনের টিকিট। প্রথমদিন তুলনামূলক টিকিট প্রত্যাশীর সংখ্যা কিছুটা কম। তার পরও সেই লাইন দীর্ঘ। যারা লাইনে দাঁড়িয়েছেন তাদের সবাই টিকিট পাবেন কিনা এতে রয়েছে শঙ্কা।

একাধিক জনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শেষ দিকের ভিড় আর ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই বাড়িতে যেতে চাচ্ছেন। যারা কর্মজীবী তারা স্বজনের পাঠিয়ে দিচ্ছেন বাড়িতে। স্কুর-কলেজ ছুটি হয়ে যাওয়ায় টিকিট প্রত্যাশীদের অধিকাংশ ছিল শিক্ষার্থী।

পূর্বপশ্চিম/ম

টিকিট
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close