• রোববার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
  • ||

গ্রামগুলোকে ক্ষতবিক্ষত হতে দেওয়া যাবে না: তাজুল

প্রকাশ:  ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৫২
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বড় বড় শহর-নগরের মতো গ্রামগুলোকে ক্ষতবিক্ষত হতে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মানুষকে গ্রামে রাখতে হলে সকল আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা যেমন-কর্মসংস্থান, ব্যাংক-বীমা, গ্যাস-পানি-বিদ্যুৎ স্যানিটেশনসহ সকল ধরনের সুবিধা সরবরাহ করতে হবে।

সম্পর্কিত খবর

    বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ কারিগরি সহায়তা প্রকল্প অংশীজন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।

    মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিতভাবে গ্রামের উন্নয়ন করতে হবে। গুচ্ছভিত্তিক গ্রাম গড়ে তুলতে হবে। একটি গ্রামের মধ্যে কিছু অংশে হবে আবাসিক এলাকা, কিছু অংশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলার স্থান, সুইমিংপুল, হাটবাজার, মসজিদ-মাদরাসাসহ অন্যান্য সুবিধা থাকবে। যেন সব মানুষ এক জায়গায় সুবিধাগুলো পায়। আর মাস্টারপ্ল্যান করলে ঐ ভাবে করতে হবে। এটি বাস্তবায়নে স্ব স্ব দায়িত্ব পালনে আমাদের অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে। সবাই মিলে একত্রিত হয়ে কাজ করলে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব। নতুন প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য সুন্দর দেশ উপহার দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।

    গ্রাম-গঞ্জে যত্রতত্র অবকাঠামো নির্মাণ না করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে অনুমতি নিতে হবে জানিয়ে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কোনো অনিয়ম করলে তাদেরও কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    শহর-নগরের ন্যায় গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, শহরের সকল আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ দর্শন গ্রহণ করেছেন। এই দর্শন বাস্তবায়নের পর গ্রাম আর শহরের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকবে না।

    সবাইকে কেন রাজধানী ঢাকাসহ শহরে থাকতে হবে এমন প্রশ্নও উত্থাপন করেন মন্ত্রী।

    আধুনিক কৃষি-চাষাবাদের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সমবায় ভিত্তিক চাষাবাদে উৎপাদন বেড়েছে। কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা ও বগুড়ায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। এই দুই জায়গায় সমবায় ভিত্তিক চাষাবাদের ফলে আগের চেয়ে উৎপাদন বেড়েছে। এখন দেশের প্রতিটি সংসদ সদস্যর মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে কৃষিতে অনেক বড় সাফল্য আসবে।

    পূর্বপশ্চিমবিডি/অ-ভি

    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close