• মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮
  • ||

দেশে করোনায় আরো ৬৫ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭১০

প্রকাশ:  ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৩২ | আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৪৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৬ হাজার ৬২৮ জনে। একই সময়ে নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৭১০ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ১৭ হাজার ১৬৬ জনে।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

জিয়ার নামে জাদুঘর সরিয়ে ফেলা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান বলেছেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন গুপ্তঘাতক, পাকিস্তানের দালাল। রাষ্ট্রীয় অর্থে পরিচালিত কোনো জাদুঘর জিয়ার নামে থাকতে পারে না। তাই চট্টগ্রাম পুরনো সার্কিট হাউজে জিয়ার নামে চলা জাদুঘর সরিয়ে ফেলা হবে। সে ভবনকে পুনরায় সার্কিট হাউজে পরিণত করা হবে।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এম এ হান্নান। সেই ঘোষণার মাইক্রোফোন জিয়ার জাদুঘরে থাকবে না। এটি কালুরঘাটে নিয়ে যাওয়া হবে।

ডা. মুরাদ বলেন, বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, শেখ জামাল, শেখ কামাল, শেখ রাসেল, সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, শেখ ফজলুল হক মনি, আরজু মনি, আবদুর রব সেরনিয়াবাত, কর্ণেল জামিলসহ ১৮ টি নিষ্পাপ প্রাণকে যারা হত্যা করেছে তাদের মূল মদদদাতা, মূল পরিকল্পনাকারী এবং বাস্তবায়নকারী প্রধান কুশীলব, পরবর্তীতে তথাকথিত রাষ্ট্রনায়ক খুনি জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার বাংলার মাটিতে হবে। জিয়াউর রহমান একজন খুনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃতিকারী।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাক্ষী। এখানে হানাদার বাহিনীর টর্চার সেলে শহীদ হয়েছেন অনেক বাঙালি। অনেকগুলো ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী এই সার্কিট হাউস। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের স্বার্থেই জাতির পিতার খুনির নামে রাষ্ট্রের টাকায় জাদুঘর হতে পারে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জাতির পিতার আজন্মের সংগ্রামের ইতিহাস যেমন জানতে হবে, তেমনিভাবে জাতির পিতার হত্যার মূল খুনীর নামও জানতে হবে।

তিনি বলেন, এখনও যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি এবং ১৫ আগস্টের খুনী, যাদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে তাদের বংশধর, যুদ্ধাপরাধীদের দোসর এবং বংশধর তারা কিন্তু বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যে আন্তর্জাতিক শক্তি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা করেছিল তাদের কিছু কিছু এদের মদদ দিয়ে থাকে। কাজেই, এ ব্যাপারে জাতিকে সতর্ক থাকতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই বাংলার মাটিতেই আমরা জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার করবোই, এটাই আমার শপথ ও অঙ্গীকার।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে এবং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ চৌধুরীর পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজা, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সভাপতি মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কলিম সরওয়ার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, বিএফইউজের সাবেক সহসভাপতি শহীদ উল আলম প্রমুখ।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের নানা সমস্যা, সমাধান এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনাদের পাশে আছেন এবং থাকবেন। তিনি করোনাকালে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে দশ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। কোনো সাংবাদিকের দেশে, বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে তিনি পাশে দাঁড়ান। কোনো সাংবাদিকের পরিবার অসহায় অবস্থায় পড়লে তিনি পাশে দাঁড়ান।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীকে চট্টগ্রামে আগমন এবং মতবিনিময় সভায় যোগ দেয়ায় ধন্যবাদ জানান।

পূর্বপশ্চিমবিডি/অ-ভি

শনাক্ত,মৃত্যু,দেশ,করোনাভাইরাস,আক্রান্ত
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close