• রোববার, ২০ জুন ২০২১, ৬ আষাঢ় ১৪২৮
  • ||

ঈদের দিন পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি

প্রকাশ:  ০৯ মে ২০২১, ১৫:৪৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান বলেছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলের দাবিতে ঈদের নামাজ শেষে সারাদেশের অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা নিজ নিজ এলাকায় বাস ও ট্রাক টার্মিনালে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করবে।

রোববার (৯ মে) মহাখালী বাস টার্মিনালে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম ও শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। অপরাজেয় বাংলা নামে একটি সংগঠনের আয়োজনে এ কার্যক্রমের সহযোগিতা করে ঢাকা জেলা বাস ও মিনিবাস সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাজাহান খান বলেন, সারাদেশের মালিক ও শ্রমিকরা নিজ নিজ এলাকায় বাস-ট্রাক টার্মিনালের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। গতকাল প্রেসক্লাবে আমাদের একটি সংবাদ সম্মেলল ছিল, সেখানেও আমরা বলেছি, সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিকরা লকডাউনের বিরোধী নই। আমরাও চাই মানুষের জীবন রক্ষার্থে কঠোরভাবে লকডাউন পালিত হোক। কিন্তু সবকিছুই তো চলছে। সবকিছু খোলা রেখে শুধু দূরপাল্লার বাস-কোচ বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলের দাবিতে ঈদের নামাজ শেষে সারাদেশের মালিক ও শ্রমিকরা নিজ নিজ এলাকায় বাস-ট্রাক টার্মিনালে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।

এদিকে শনিবার (৮ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সড়ক পরিবহন সংশ্লিষ্ট তিনটি সংগঠনের যৌথ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে বেশ কিছু দাবি জানানো হয়। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে দূরপাল্লার পরিবহনসহ সব গণপরিবহন এবং স্বাভাবিক মালামাল নিয়ে পণ্য পরিবহন চলাচলের সুযোগ দিতে হবে; লকডাউনের কারণে কর্মহীন সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের আসন্ন ঈদের আগে আর্থিক অনুদান ও খাদ্য সহায়তা দিতে হবে ও লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মালিকদের (শ্রেণিমতো) যানবাহন মেরামত, কর্মচারী ও শ্রমিকের বেতন, ভাতা ও ঈদ বোনাস ইত্যাদি দেওয়ার জন্য নাম মাত্র সুদে ও সহজ শর্তে পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দিতে হবে।

এসময় বক্তরা বলেন, পরিবহন শ্রমিকরা কাজ করলে বেতন পায়, না করলে পায় না। ফলে যে কয়দিন লকডাউন অবস্থায় থাকে সে কয়দিন তারা বেতন পান না। তখন অনেকেই না খেয়ে থাকেন। পরিবহন শ্রমিকদের এমন দুর্দিনে নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসা উচিত বিত্তবানদের।

পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ বিষয়ে আয়োজকরা বলেন, করোনাকালীন এই লকডাউনে কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকরা তাদের পরিবার নিয়ে বড্ড অসহায় অবস্থায় দিন অতিবাহিত করছে। আসন্ন ঈদ উপলক্ষে তাদের পাশে দাঁড়াতে আগের মতো এবারও সামাজিক সংগঠন অপরাজেয় বাংলা পাঁচশ পরিবহন শ্রমিকের মধ্যে তাদের পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সবারই উচিত নিজ নিজ জায়গা থেকে অসহায় এসব পরিবহন শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানো।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন অপরাজেয় বাংলার যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব আনাম, সদস্য সচিব এইচ রহমান মিলু, কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলসহ পরিবহন মালিক,শ্রমিকদের বিভিন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।


পূর্বপশ্চিমবিডি/জিএস

শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি,ঈদের দিন,পরিবহন মালিক
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close