• সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
  • ||

প্রেসক্লাবের ২০ তলা ভবন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরলেন এমপি শফিকুর

প্রকাশ:  ১৫ নভেম্বর ২০২০, ২৩:৪৯ | আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০২০, ২৩:৫৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া জাতীয় প্রেসক্লাবের জায়গায় তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক নেতা সংসদ সদস্য মুহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি ২০ তলা আধুনিক ভবন করে দেবেন। আমি আশাকরি সেই ভবনটি হবে।

রোববার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুরু হয়। বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা গ্রন্থগুলো যদি ঠিকমত পড়ি তাহলে দেখবেন তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ। বিশ্বে এমন রাজনীতিবিদ আর আসেননি। বঙ্গবন্ধু যে শুধু মাত্র লিখেছেন, তা নয় বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকতা করেছেন ইত্তিহাদে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতীয় প্রেসক্লাবের জমি দিয়ে গেছেন। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনের পর কিছু লোক হঠাৎ উদ্যমী হয়ে ওঠে প্রেসক্লাবের পাশে জমিটা দখল করার জন্য, তখন বঙ্গবন্ধু আতাউর রহমান খান সাহেবের সামনে ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের কয়েকজনকে বলেছিলেন তোরা আসিস আমি থাকব সেখানে। বঙ্গবন্ধু সেখানে যখন গেলেন বললেন জাতীয় প্রেসক্লাব এটি থাকবে। জাতীয় প্রেসক্লাবের এই জমি আর কেউ নিতে পারেনি। সেই প্রেসক্লাবের ওপরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন একটি ২০ তলা আধুনিক ভবন করে দেবেন। আমি আশাকরি সেই ভবনটি হবে।

তিনি আরও বলেন, অত্যন্ত বেদনাদায়ক বঙ্গবন্ধুকে ১৫ আগস্ট হত্যা করার পর বাংলাদেশের কাগজে লেখা হয়েছে স্বৈরাচারের পতন ঘটল। অনেক কাগজে লেখা হয়েছে। ‘হক কথা’ বলে একটি কাগজ ছিল। সেই ‘হক কথা’ কিংবা জাসদের গণকণ্ঠ এই দুটি কাগজে অনেক ভিত্তিহীন যেসমস্ত লেখা হয়েছিল সেগুলো আসলে সাংবাদিকতাও ছিল না। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর মিলিটারি জিয়াউর রহমান অলিখিত ফরমান জারি করলেন বঙ্গবন্ধু বলা যাবে না, জাতির পিতা বলা যাবে না।

পেশাদার সাংবাদিকদের নেতা সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে সাংবাদিকদের জন্য একটি আইন করেছিলেন। সেই আইনের বলেই ওয়েজ বোর্ড হয়েছে। কয়েকবার ওয়েজ বোর্ড হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কোভিড আসার আগ থেকে সাংবাদিকদের জন্য তিনি কল্যাণ তহবিল করেছেন। কল্যাণ তহবিলের অর্থ কমপক্ষে ৩০ কোটি কম হবে না। তাছাড়া প্রত্যেক দুস্থ সাংবাদিকদের জন্য নগদ টাকাও দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মতোই সাংবাদিকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষা করে চলছেন কিন্তু সাংবাদিকরা ‘সবাই না’ বেশির ভাগ এতো অকৃতজ্ঞ যে উনার কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে ওই টেলিভিশনে বসেই উনাকে নিয়ে সমালোচনা করে এবং অকথ্য ভাষায় কথা বলে এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, ইমাজ উদ্দীন প্রমাণিক, অধ্যাপক আলী আশরাফ, বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান প্রমুখ।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান,জাতীয় প্রেসক্লাব
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
cdbl
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close