• বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
  • ||

নারী অধিকার নেত্রীরা কোথায়, নানা প্রশ্ন

প্রকাশ:  ০৬ অক্টোবর ২০২০, ১১:০৯ | আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২০, ১১:২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনায় বিচারের দাবিতে সোমবার (৫ অক্টোবর) শাহবাগে বিক্ষোভ করেছে সম্মিলিত ছাত্র-জনতা। এর মধ্যে একটি প্রশ্নটি সর্বত্র। নারী অধিকার নেত্রীরা কোথায়? সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের সমালোচনায় মুখর নেটিজেনরা। একের পর এক ধর্ষণ, নারী নির্যাতন। নারীর বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী এ অপরাধ থামছে না কিছুতেই। সিলেটে লোমহর্ষক গণধর্ষনের পর নোয়াখালীতে বর্বর নির্যাতন। ক্ষোভে ফুসছে বাংলাদেশ। অনলাইন থেকে রাজপথ। প্রতিবাদে মুখর হাজার হাজার মানুষ। এমনকি নারী অধিকার কর্মীদের নিস্ক্রিয়তায় হাইকোর্টও উষ্মা প্রকাশ করেছেন।

শ্লোগান ওঠেছে সবখানে। ধর্ষকদের বিচার চাই। এই যখন অবস্থা তখন দেশের নারী অধিকার নেত্রী হিসেবে পরিচিতরা রহস্যময় নীরবতা পালন করছেন। রাজপথ বা আদালত কোথাও তাদের দেখা মিলছে না। তাদের এই ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন খোদ হাইকোর্ট। আদালত নারী সংগঠনের বিষয়ে বলেন, দেশে এতো এতো নারী সংগঠন। তারা আজ কোথায়? তারা কেনো এ ঘটনার বিচার চেয়ে আদালতের কাছে আসলো না। সত্যিই অবাক হলাম। এতো নারী সংগঠনা থাকা সত্ত্বেও একটি নারী সংগঠনও নারী নির্যাতনের এ রোমহর্ষক ঘটনার বিচার চেয়ে আদালতে আসেনি।

কেন নারী সংগঠন বা নারী অধিকার নেত্রীদের এ নীরবতা। খ্যাতিমান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর আলী রীয়াজের এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এর খানিকটা জবাব মেলে। দীর্ঘ স্ট্যাটাসের একটি অংশে তিনি লিখেছেন, ‘ধর্ষন হচ্ছে পিতৃতন্ত্রের হাতিয়ার’ একথা ততক্ষণ পর্যন্ত বহাল যতক্ষণ আপনি একে কেবলমাত্র একমাত্রিকে বিবেচনা করবেন, কনটেক্সটকে বিবেচনায় নেবেন না। বাংলাদেশে এটা বোঝার জন্যে আপনার তত্ত্বগতভাবে বিবেচনা করতে হবে না, দেশের ‘নারী অধিকার’ বলে পরিচিত কর্মীদের এক বিরাট অংশের নীরবতা থেকেই বুঝবেন। তাঁরা পিতৃতন্ত্রের বিরুদ্ধে নয় এমন মনে করার কারণ নেই, কিন্ত ক্ষমতার সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের কারণেই এখন তাঁদের নীরবতা। আমি যদি আগ বাড়িয়ে বলি, নীরবতা নয়, এ হচ্ছে মৌনতা। ‘মৌনতা সম্মতির লক্ষণ?

পূর্বপশ্চিমবিডি/ এনএন

নারী অধিকার,হাইকোর্ট,ধর্ষণ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
cdbl
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close