• শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ২ মাঘ ১৪২৭
  • ||

প্রতিদিন ২৫ করোনারোগীকে ৬ হাজার টাকায় প্লাজমা দেবে গণস্বাস্থ্য

প্রকাশ:  ১৫ আগস্ট ২০২০, ২০:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, চীনের তৈরি ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিলে বাংলাদেশ লাভবান হতো। এ বিষয়ে সরকারের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপই ভুল ছিল।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় রাজধানীর ধানমণ্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ‘গণস্বাস্থ্য প্লাজমা সেন্টার’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ‘গণস্বাস্থ্য প্লাজমা সেন্টার’ উদ্বোধন করেন দেশের মূল প্লাজমা প্রবক্তা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এম এ খান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীলও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের পর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকে স্মরণ করে আজ প্লাজমা সেন্টারটি উদ্বোধন করা হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকজন রক্তদানও করেছে বলেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

যারা এরই মধ্যে করোনামুক্ত হয়েছে তাদের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্লাজমা সেন্টারে এসে রক্ত দান করার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার তিনি এ বিষয়ে বলেছিলেন, অনেক রক্ত দরকার। রক্তদান করতে কোনো খরচ নেই।

তবে, যিনি প্লাজমা নেবেন, তার ক্ষেত্রে যেহেতু অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয় আছে, তাই তাদের ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা ফি পড়বে।প্লাজমা সেন্টারটি ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য। সারা দেশের মানুষ এখান থেকে প্লাজমা নিতে পারবে। প্রাথমিক অবস্থায় এখানে প্রতিদিন ২৫ জন প্লাজমা গ্রহণ করতে পারবে।

ডা. এম. এ. খান বলেন, ‘প্লাজমাফেরেসিস পদ্ধতিতে মেশিনের সাহায্যে প্লাজমা সংগ্রহ করা হয়। সেটা ব্যয়বহুল। একটা মেশিনের দাম প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা। করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠা ব্যক্তির রক্ত থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করা হয়। এখানে সমস্যা হলো একজনের প্লাজমা শুধু একজনকে, একবার দেওয়া যাবে।’

‘প্লাজমাথেরাপি কোন সময়ে কাকে দিতে হবে, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি আগে থেকে প্ল্যান করি, বয়স্ক রোগী যারা রয়েছেন তাদেরকে যদি আমরা কোভিড আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাজমা দিতে পারি, এটা সবচেয়ে ভালো হবে। ভ্যাকসিন আসার আগ পর্যন্ত এটা খুব কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি। বড় চ্যালেঞ্জ হলো, ডোনারদের কারও কারও নমুনায় অ্যান্টিবডি কম থাকে। যারা বেশি মাত্রায় আক্রান্ত হন, যাদের মধ্যে উপসর্গ বেশি থাকে, তাদের অ্যান্টিবডি বেশি থাকে। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অ্যান্টিবডি পরিমাপ করা। অ্যান্টিবডি টেস্ট দ্রুত করা দরকার,’ যোগ করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম মো. কোরেইশী।

আগামী মাসে আরো একটি মেশিন যুক্ত হবে। তখন প্রতিদিন ৬০ জনকে প্লাজমা দেওয়ার আশা করছে হাসপাতালটি।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এমএস

করোনা,গণস্বাস্থ্য
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
cdbl
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close