• রোববার, ১২ জুলাই ২০২০, ২৮ আষাঢ় ১৪২৭
  • ||

আদালতের অনুমতি নিয়েই যুক্তরাজ্য গেছেন মোরশেদ খান

প্রকাশ:  ২৯ মে ২০২০, ২১:০১ | আপডেট : ২৯ মে ২০২০, ২২:২১
নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুই মামলায় নিষেধাজ্ঞা জারির পর আদালতের অনুমতি নিয়ে স্ত্রীসহ দেশত্যাগ করেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সিটিসেল ও এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান।

শুক্রবার (২৯ মে) পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মোরশেদ খান আদালতের আদেশ নিয়ে ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে দেশের বাইরে গিয়েছেন।

এ বিষয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ উল-আহসান বলেন, দুইজন যাত্রী নিয়ে ভাড়া করা একটি ছোট উইং প্লেনে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে তিনি দেশ ছেড়েছেন। প্লেনে দুইজন যাত্রী ছিল। তাদের পরিচয় ইমিগ্রেশন পুলিশ দিতে পারবে।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে দুদকে দুইটি মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। মামলাগুলোর বিপরীতে পরিবারসহ তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল দুদক।

এর মধ্যে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর দায়ের করা মামলায় ৩২১ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ ছিল মোরশেদ খান, তার স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে। তাদের মালিকানাধীন ফারইস্ট টেলিকমিউনিকেশনস লিমিটেডের নামে হংকং স্ট‌্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ২০০১ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিন কোটি ৯৫ লাখ ৬২ হাজার ৫৪১ মার্কিন ডলার ও এক কোটি ৩৬ লাখ ৪৫ হাজার ৫৮৩ হংকং ডলার পাচার করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩২১ কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার ৮৭২ টাকা। যদিও ২০১৫ সালের জুলাইয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (এফআরটি) দিয়েছিল দুদক। পরে দুদকের আপিলে পুনরায় তদন্ত শুরু করে সংস্থাটি।

হংকংয়ে পাচার করা অর্থের মধ্যে ১৬ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করে সে দেশের সরকার। যা ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে দুদকের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে।

অন্যদিকে ২০১৭ সালের ২৮ জুন এবি ব্যাংকের মহাখালী শাখা থেকে ৩৮৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার ৩৬৩ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে অপর মামলাটি করে দুদক।

পূর্বপশ্চিমবিডি/অ-ভি

দেশ,প্লেন,ভাড়া,মোরশেদ খান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close