• মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭
  • ||

ইতিহাসে ব্যতিক্রমী সংসদ অধিবেশন বসেছে

প্রকাশ:  ১৮ এপ্রিল ২০২০, ১৭:১৪ | আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০২০, ১৭:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার ভয়াবহতার মধ্যেই দেশের ইতিহাসে ব্যতিক্রমী সংসদ অধিবেশন বসেছে। এটি এ বছরের দ্বিতীয় ও একাদশ জাতীয় সংসদের সপ্তম অধিবেশন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের সভাপতিত্বে স্বল্পতম সময়ের জন্য অধিবেশন শুরু হয়।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, সংসদ সদস্যদের অধিবেশন কক্ষে বসার সময় শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে করোনাভাইরাসের কারণে জাতীয় সংসদের এই অধিবেশনে সাংবাদিকদের সশরীরে উপস্থিত না হয়ে সংসদ টেলিভিশন থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত অধিবেশন কভার করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, এখন ঢাকায় আছেন এবং বয়সে তরুণ এমন এমপিদেরই শুধু সংসদে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়। আর সংসদে প্রবেশের সময় এমপিদের তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়।

এর আগে জাতীয় সংসদের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষ হয়েছিল ১৮ ফেব্রুয়ারি। এক অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে আবার অধিবেশনে বসার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই হিসাবে ১৮ এপ্রিলের মধ্যে অধিবেশন বসার বাধ্যবাধকতা আাছে। তাই করোনভাইরাসের এই মহাদুর্যোগ চললেও সংসদের সপ্তম অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

সংসদ সচিবালয় বলছে, এই অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকছে না। কোনো বিল উত্থাপন ও পাস হবে না। অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সংসদ অধিবেশন পরিচালনার জন্য সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়নের পর চলতি সংসদের সদস্য ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফসহ অন্যদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। শোক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শেষে অধিবেশন মুলতবি করা হবে।

শোক প্রস্তাবের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখবেন। এরপর জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ নিয়ে আলোচনা শেষে অধিবেশন সমাপ্ত হবে। এর আগে দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী সরকারি কর্মকমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন উত্থাপন করবেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনার ভয়াল থাবার কারণে একাদশ সংসদের সপ্তম অধিবেশন দেশের ইতিহাসে একেবারেই ব্যতিক্রম হবে। এই প্রথম ছুটির দিনে আহ্বান করা এই অধিবেশনে ৬০ থেকে ৭০ জনের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী সংসদের বৈঠকের কোরাম পূরণ করতে সর্বনিম্ন ৬০ জনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। আর সংসদের অধিবেশন কক্ষে সংসদ সদস্যসহ অন্যদের শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য অধিবেশন চালানোর জন্য হাতেগোনা কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত থাকবেন।

মন্ত্রী-এমপিদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। গণপূর্তেরও শুধু অপরিহার্য সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত থাকবেন। সাউন্ড সিস্টেম, সংসদ টেলিভিশন, বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাদেশ বেতারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতি কমাতে বলা হয়েছে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

সংসদ অধিবেশন,এমপি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close