• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
  • ||

১১ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধের অনুরোধ রুবানা হকের

প্রকাশ:  ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২২:২৮ | আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২২:৩৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক। ফাইল ছবি

সঙ্গত কোনো কারণে শ্রমিক যদি পোশাক কারখানায় উপস্থিত না থাকেন, তবে মানবিক দিক বিবেচনায় তার চাকরিটি হারাবেন না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক। পাশাপাশি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সব কারখানা বন্ধ রাখার জন্য কারখানা মালিকদের কাছে অনুরোধ করেন তিনি। শনিবার (৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক অডিও বার্তায় এসব কথা জানান তিনি।

অডিও বার্তায় ড. রুবানা বলেন, ‘আমাদের কযেকটি জায়গা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর আমাদের যে সার্কুলার দিয়েছেন তাতে স্পষ্ট করে লেখা আছে, যে সমস্ত রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা পিপিই বানাচ্ছেন এবং যাদের উৎপাদন চলমান আছে সে সমস্ত মালিকরা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিতকরন সাপেক্ষে শিল্প কলকারখানা চালু রাখতে পারবেন। কাজে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো কিভাবে আমাদের শ্রমিকদের কিভাবে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা দেবো, এটাই প্রথম।’

ড. রুবানা বলেন, ‘আমাদের দ্বিতীয়টি হলো মার্চ মাসের বেতন নিয়ে। মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনো রকম অনীহা, অনাগ্রহ প্রকাশ করা যাবে না। আমরা বেতন দেবো যত কষ্ট হোক, যাই হোক বেতন দেবো, ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের তৃতীয়টি হলো শ্রমিকদের উপস্থিতির বিষয়। কোনো শ্রমিক কোনো সঙ্গতকারনে বা কোনো কারনে যদি কারখানা উপস্থিত না থাকেন তাহলে মানবিক বিবেচনায় তার চাকরিটি হারাবেন না। এটুকু আমাদের প্রত্যক সদস্যদের কাছে অনুরোধ করবো।'

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য অডিও বার্তায় কারখানা মালিকদের প্রতি অনুরোধ করেন ড. রুবানা হক।

প্রসঙ্গত, কারখানা চালু রাখার ব্যপারে শুরু থেকেই অনড় বিজিএমইএ। ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলে বিকেএমইএ'র পক্ষ থেকে কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে বিজিএমইএর পক্ষ থেকেও এই সময়ে কারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়। তবে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই ছুটি ঘোষণা করা হয়নি। সাধারণ ছুটির মধ্যে কারখানা চালু হওয়ায় বিভিন্ন জেলা শহর থেকে শ্রমিকরা হেঁটে ঢাকায় ফিরছেন এমন খবর পাওয়া গেছে। পোশাক কারখানা খোলা রাখায় দিনভর এর সমালোচনা করেছেন বিশিষ্টজনরা। ফেসবুকও মেতেছে সমালোচনায়। কারখানা চালুর মধ্যমে পুরো দেশকেই করোনার ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে বলে মন্তব্য তাদের। এ নিয়ে একাধিকবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছে বিজিএমইএ সভাপতি। প্রশ্নবাণে বিদ্ধ রুবানা হক ছুটির ব্যপারে এখনও নিরুত্তর।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

বিজিএমইএ,করোনাভাইরাস
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close