• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
  • ||

কমিশনারের বাধায় দুপুরে বন্ধ রাতে শুরু করোনা হাসপাতালের কাজ

প্রকাশ:  ২৯ মার্চ ২০২০, ০০:৫৪ | আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২০, ০১:০৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
তেজগাঁওয়ের করোনা হাসপাতাল। ছবি: পূর্বপশ্চিম

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য আকিজ গ্রুপ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে ঢাকায় ৩০১ শয্যার হাসপাতাল তৈরির কাজ চলবে। নির্ধারিত স্থানেই হাসপাতাল হবে। শনিবার দুপুরে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায় স্থানীয় কাউন্সিলর ও এলাকাবাসীর বাধার মুখে। পরে রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের হস্তক্ষেপে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হাসপাতাল হলে এলাকার লোকের মধ্যে সংক্রমণ হবে- এমন একটা ভাবনা থেকে বিরোধিতা হয়েছিল। হাসপাতাল হলেও সংক্রমণ না হওয়ার সব ধরনের ব্যবস্থা যে নেওয়া হবে, তা সবাইকে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। নির্ধারিত স্থানেই হাসপাতাল হবে।

মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের অনুমতি জন্য ক্যাবিনেট সেক্রেটারি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বলা হয়েছে। অনুমোদনের প্রক্রিয়া শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী আকিজ গ্রুপ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে ঢাকায় ৩০১ শয্যার হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু হয়। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আকিজের নিজস্ব দুই বিঘা জমিতে হাসপাতালটি হচ্ছে। এটি তৈরি হচ্ছে তেজগাঁও-গুলশান লিংক রোডের শান্তা টাওয়ারের পেছনে। আকিজ সেখানে বিনা মূল্যে রোগীদের চিকিৎসা দেবে।

নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার বিষয়টি জানাজানির পরই শনিবার বেলা একটার দিকে শ দুয়েক মানুষ এসে কিছুক্ষণ অবস্থান নেন এবং প্রতিবাদ জানান। এ ঘটনার পর হাসপাতাল নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। শিল্প এলাকার ১৮৪ নম্বর প্লটে নির্মাণাধীন হাসপাতালে লোকজন আসার পর সেখানে আসেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিউল্লাহ শফি।

এসময় কাউন্সিলর বলেন, আমি করোনা সচেতনতা করতে আজ লিফলেট নিয়ে বের হয়েছিলাম। পরে ওই মহল্লায় গেলে সবাই আমাকে জানায়- এখানে করোনা না কিসের যেন হাসপাতাল হচ্ছে। যাতে আমরাও আক্রান্ত হবো। এটা শোনার পর আমি হাসপাতালের সামনে গিয়ে দেখি কয়েক’শ লোক সেখানে উপস্থিতি। এসময় আমি সবাইকে শান্ত করি। পরে জানতে পারি করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল করছে একটি কোম্পানি। তবে তারা আমাকে পূর্ব থেকে জানাইনি।

শফিউল্লাহ শফি বলেন, ঘটনাস্থলে থাকা অবস্থায় আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে ফোন করেছি। তিনিও এই বিষয়ে কিছু জানেন না। তবে- তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) বলেছেন, আমি যেন সবাইকে ওখান থেকে সরিয়ে দিই।

এরপর পরিবেশ শান্ত করে বাসায় চলে আসেন বলে দাবি করেন স্থানীয় এই কাউন্সিলর। বলেন, আমি মনে করি, এটা যেহেতু মহল্লা। তাই এখানে করোনারভাইরাসে আক্রান্তদের হাসপাতাল হওয়া ঠিক হবে না। আমি এটার পক্ষে না।


পূর্বপশ্চিমবিডি/কেএম

করোনা হাসপাতাল
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close