• রোববার, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, ৬ মাঘ ১৪২৭
  • ||

‘ঢাকার বাস দেখে বেদনা হয়, লজ্জা লাগে’

প্রকাশ:  ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:৪২
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার বাসের চিত্র দেখলে অত্যন্ত বেদনা হয় ও লজ্জা লাগে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি আব্দুল হক।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বারভিডা কার্যলয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় রিকন্ডিশন গাড়ির ব্যবসায় মন্দার কথা জানিয়ে গাড়ির শুল্ক করসহ পলিসি পরিবর্তন করার দাবি জানান। একইসঙ্গে রিকন্ডিশন গাড়ি নতুন গাড়ির থেকে বেশি পরিবেশবান্ধব দাবি করে তিনি পরিবেশ অধিদফতরের কাছে রিকন্ডিশন ও নতুন গাড়ির পরিবেশ দূষণ নিয়ে একটি সার্ভে করারও দাবি জানান।

ঢাকার বাসের চিত্র তুলে ধরে আব্দুল হক বলেন, আজকে স্বাধীনতার ৫০ বছর হতে যাচ্ছে। আমার কাছে ঢাকার বাস দেখে অত্যন্ত বেদনা হয় এবং লজ্জা লাগে। এটাই কি আমাদের নিয়তি ছিল? অথচ সত্তরের দশকেও বিআরটিসি বাসের কোয়ালিটি এর থেকে অনেক অনেক বেটার ছিল। আমরা চড়েছি ছোটকালে, শৃঙ্খলা ছিল এবং রুট ব্যবস্থাপনা ছিল। এখন কোনো রুট ব্যবস্থাপনা নেই। ফার্মগেট দিয়ে প্রায় ৩২টি রুটের গাড়ি চলছে। এটা তো একটা ডিজাস্টার। এ জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে একজন সিঙ্গাপুরিয়ান আমার কাছে মন্তব্য করেছিল- তোমাদের দেশে দু’টি চ্যালেঞ্জ। একটা হলো ঢাকার ট্রাফিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা। অন্যটি হলো ঢাকার বিমানবন্দর।

সংবাদ সম্মেলনে বারভিডার সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘরের সব থেকে সুন্দর রুম ড্রইং রুম। আর একটা দেশের ড্রইং রুম বিমানবন্দর, বাস-ট্রাক টার্মিনাল। আমাদের দেশের এই ড্রইং রুমটি সুন্দর করতে হবে। আমরা একটি আধুনিক দেশে চলে যাচ্ছি, এ পরিস্থিতিতে অবশ্যই আমাদের ড্রইং রুমটি সুন্দর করতে হবে।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

বারভিডা,রাজধানী,বাস
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত