• সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬
  • ||

রেল দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধারে হেলিকপ্টার ব্যবহারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

প্রকাশ:  ১২ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৫৬ | আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৯, ১০:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় গুরুতর আহতদের জীবন রক্ষায় উদ্ধার কাজে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দ্রুত ঢাকায় এনে সিএমএইচ এবং পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবী জানান।

বিবৃতিতে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের দ্রুত উদ্ধার ও বিনামূল্যে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সাথে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান।

মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী নিহত প্রত্যেক পরিবারের কাছে রেলওয়ের খরচে লাশ পৌঁছে দেওয়া এবং হতাহত প্রত্যেক পরিবারের কাছে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়েতে পদে পদে অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট ও দায়িত্ব পালনে গাফেলতির মহোৎসব চলছে। এখানে দুর্নীতিবাজরা পুরস্কৃত হচ্ছে, সৎ অফিসাররা কোনঠাসা হয়ে পড়ছে। যাত্রী সেবার মান ও ট্রেনের গতি গাণিতিক হারে নিম্মমুখী হচ্ছে। অথচ সরকারপ্রধান তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা রেলকে গতিশীল করতে প্রায় অর্ধশত যাত্রীবান্ধব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্ধ দিয়েছে। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়ন করে এসব প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য বিবৃতিতে দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এই রেল দুর্ঘটনায় দায়িত্ব পালনে গাফেলতিকারী অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং ত্রুটি, ঠিকাদারের দুর্নীতি যারা দায়ী হোক না কেন, জড়িত তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করা হোক। অন্যথায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সামনে আরও বড় বড় বিপদ আসন্ন বলে বিবৃতিতে সতর্ক করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী আন্তঃনগর মহানগর তূর্ণা নিশিথা ও আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস দুটি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট ও রেলওয়ে থেকে দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর মহানগর তূর্ণা নিশিতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। দুইটি ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে হতাহতদের উদ্ধার কাজ চলছে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/জিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া,ট্রেন দুর্ঘটনা,বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি,গণমাধ্যম
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত