• বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭
  • ||
শিরোনাম

বাড়লো ক্রিকেটারদের আরও দুই দফা দাবি

প্রকাশ:  ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ১৯:৩৬ | আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ১৯:৪৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত শেষে তার নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ক্রিকেটারদের ১১ দফা দাবি মেনে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এ নিয়ে আলোচনার জন্য তিনি বিসিবি কার্যালয়ে ক্রিকেটারদের বৈঠক বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিসিবি সভাপতি পাপনের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে দেশের শীর্ষ ক্রিকেটাররা গুলশানের এক হোটেলে এগারো দফা দাবির সঙ্গে আরও দুটি যোগ করে মোট ১৩ দফা দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে চিঠি দিয়েছে।

বুধবার (সন্ধ্যায়) গুলশানের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটারদের মুখপাত্র হিসেবে ব্যারিস্টার মুস্তাফিজ রহমান দাবিগুলো তুলে ধরেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে পারিশ্রমিক বাড়ানো, ক্রিকেটারদের প্রতি বোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো সহ মোট ১১টি দাবি জানিয়েছিল তারা। যোগ হওয়া দুটি দাবির একটি হলো বোর্ডের রাজস্বের ভাগ দিতে হবে ক্রিকেটারদের এবং নারী ক্রিকেট দলকেও দিতে হবে ন্যায্য ভাগ। তবে এখনই কোনো আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না জানিয়ে মুন্তাফিজ জানান, বোর্ডের সঙ্গে বসতে প্রস্তুত ক্রিকেটাররা।

সম্পর্কিত খবর

    এর আগে গত সোমনার মিরপুরে জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি মাঠে প্রায় ৬০ জন ক্রিকেটারকে সঙ্গে নিয়ে ধর্মঘটের ঘোষণা দেন সাকিব আল হাসান। এর প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এক সুদীর্ঘ সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটারদের এই আন্দোলকে বিশেষ মহলের ষড়যন্ত্র, দেশের ক্রিকেটকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত বলে মন্তব্য করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

    পরে বুধবার সকালে বিসিবি সভাপতিকে গণভবনে ডেকে নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বিসিবিকে দেওয়া চিঠিতে ক্রিকেটাররা আগের ১১ দফায় কিছুটা পরিবর্তন এনে আরও দুটি দাবি যোগ করেছেন। দাবিগুলো হলো-

    ১. কোয়াবের কোনও কার্যক্রম না থাকায় বর্তমান কমিটিকে অবিলম্বে বিলুপ্ত করতে হবে। একইসঙ্গে কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পদত্যাগ করতে হবে।

    ২. ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ আগের মতো আয়োজন করতে হবে। নিজেদের মতো করে আয়োজন করতে হবে।

    ৩. এ বছর না হলেও পরের বছর থেকে আগের মতো বিপিএল আয়োজন করতে হবে। স্থানীয় ক্রিকেটারদের ভিত্তিমূল্য বাড়াতে হবে।

    ৪. প্রথম শ্রেণির ম্যাচ ফি ১ লাখ করতে হবে। গোটা বছর কোচ-ফিজিও দিতে হবে। জাতীয় ক্রিকেট লিগে প্রতি বিভাগে অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে হবে।

    ৫. ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো মানের বল দিতে হবে। ডিএ ১৫০০ টাকায় কিছু হয় না; তাই বাড়াতে হবে। ট্রাভেলে বিমানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ভালো মানের হোটেল হতে হবে।

    ৬. চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটারের সংখ্যা ও বেতন বাড়াতে হবে।

    ৭. দেশি সব স্টাফের বেতন বাড়াতে হবে। কোচ থেকে গ্রাউন্ডস ও আম্পায়ার, সবার বেতন বাড়াতে হবে।

    ৮. ঘরোয়া ওয়ানডে বাড়াতে হবে। বিপিএলের আগে আরেকটি টি-টোয়েন্টির টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে হবে।

    ৯. ঘরোয়া ক্যালেন্ডার নির্দিষ্ট করতে হবে।

    ১০. বিপিএলের পাওনা টাকা সময়ের মধ্যে দিতে হবে।

    ১১. ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ দুটোর বেশি খেলা যাবে না, এই নিয়ম তুলে দিতে হবে। সুযোগ থাকলে সবাই খেলবে।

    ১২. ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনায় আমরা স্বচ্ছতা চাই। এর একটা ভাগ আমরা চাই।

    ১৩. বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল ভালো করছে। নারীদের ক্ষেত্রেও তাদের ন্যায্য হিসাব দিতে হবে।

    পূর্বপশ্চিমবিডি-এনই

    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close