Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

ছাত্ররাজনীতি বন্ধের প্রস্তাব নাকচ, এটা স্বৈরশাসকদের কথা

প্রকাশ:  ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৭:২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ দেশের প্রতিটি আন্দোলনে সংগ্রামে ছাত্রদের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। আমি নিজেও ছাত্ররাজনীতি করে এসেছি। তাই আমি দেশের কোথায় কী হচ্ছে, আমি এখান থেকেই সব দেখাশোনা করছি। কারণ ছাত্ররাজনীতি করে আসলেই রাজনীতি শেখা যায়। ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এটা স্বৈরশাসকরা করতে পারে, আমি পারি না।

বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটায় গণভবনে তাঁর সাম্প্রতিক ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সফর সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বুয়েট চাইলে করতে পারে, আমরা কেন ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করব। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি মনে করে সেখানে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করবে; তারা করতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, রাজনীতি একটা প্রশিক্ষণের বিষয়, এটা ছাত্ররাজনীতি থেকে তৈরি হয়। একটা ঘটনার জন্য ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা যৌক্তিক নয়। এ দেশের জাতীয় সকল নেতৃত্ব উঠে এসেছে ছাত্র রাজনীতি থেকে। আমি ছাত্র রাজনীতি করেই এখানে এসেছি। এজন্য আমরা দেশের জন্য কাজ করতে পারি। ছাত্ররাজনীতি করে আসলেই রাজনীতি শেখা যায়। আর না হলে উড়ে এসে জুড়েবসলে ক্ষমতা পেয়ে অপব্যবহার করা শুরু করে। দেশের প্রতি কোনো মায়া থাকে না।

বুয়েটের ছাত্র আবরার হত্যা প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বুয়েটের খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে আলামত সংগ্রহের নির্দেশ দেই। যখন পুলিশ আলামত সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে তাদের আটকে দেওয়া হলো। তিন ঘণ্টা আটকে রাখা হলো, কেন? সেটা জানা দরকার। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কিনা। পরে আইজিপি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। আমি সঙ্গে সঙ্গে আইজিপিকে নির্দেশ দিয়েছি কোন রুমে কারা ছিল সবগুলোকে ধরে অ্যারেস্ট করো। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটাবে আমি মেনে নেবো না। ছাত্রলীগকে সঙ্গে সঙ্গে ডেকেছি, নির্দেশ দিয়েছি ব্যবস্থা নেওয়ার।

তিনি বলেন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে। কীসের ছাত্রলীগ, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কারো দাবির অপেক্ষায় তো আমি বসে থাকিনি। সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ দিয়েছি, গ্রেফতার শুরু হয়েছে। এরপর আন্দোলনই বা কীসের জন্য।

শেখ হাসিনা বলেন, যে বাবা-মা সন্তান হারিয়েছে তাদের কষ্টটা কী সেটা আমি জানি। তাকে (আবরার ফাহাদ) এভাবে ধরে নৃশংসভাবে মারা, এটা কেন। যত রকম শাস্তি আছে সব দেওয়া হবে।

পূর্বপশ্চিমবিডি- এনই/

প্রধানমন্ত্রী
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত