Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

আবরারের নিথর দেহ সিঁড়িতে রেখে ফুটবল ম্যাচ দেখেন খুনিরা

প্রকাশ:  ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১২:২০ | আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১২:২৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে রোববার নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় আবরার ফাহাদকে। একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ নেতারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

এ ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে সারা দেশের শিক্ষাঙ্গন। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধকরণসহ সাত দফা দাবিতে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করেছেন বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

হত্যাকাণ্ডের পর সোমবার (৭ অক্টোবর) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি সিসিটিভি ফুটেজ দেওয়া হয়েছিল প্রসাশনের পক্ষ থেকে। তবে সেই ভিডিওটি ছিল অপূর্ণাঙ্গ।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। সিসিটিভির ওই ভিডিওতে দেখা যায়, আবরারকে তার কক্ষ থেকে রোববার দিবাগত রাত ৮টা ১৩ মিনিটে দ্বিতীয় বর্ষের ৫ জন এসে দোতলায় ডেকে নিয়ে যায়। তারা আবরারকে নিয়ে যাওয়ার সময় হেলমেট হাতে একজন আসে সেখানে। আবরার দোতলায় উঠে যায় অন্যদের সঙ্গে। পরে রাত দেড়টায় আবরারকে মারধরের পর কক্ষ থেকে বের করা হয়। প্রথমে একজনকে বারান্দা দিয়ে কিছুটা দৌড়ে এসে দাঁড়াতে দেখা যায়। এরপর তিনি একই পথে ফিরে যান। কিছুক্ষণ পর আবরারকে তিনজন ধরাধরি করে নিয়ে আসেন। তাদের পেছনে একজনকে হেঁটে আসতে দেখা যায়, তার পেছনে আরেকজন হেঁটে আসেন। এর পরপরই আরও পাঁচজন ওই বারান্দা দিয়ে হেঁটে আসেন।

শিক্ষার্থী ও একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শেরেবাংলা হলের দোতলার ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরার ফাহাদের মুঠোফোন নিয়ে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ঘেঁটে দেখেন। এরপর ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে আবরারকে পেটাতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আরও কয়েকজন নেতা-কর্মী আসেন। তারা আরেক দফা পেটান আবরারকে। পেটানোর একপর্যায়ে আবরার নিস্তেজ হয়ে পড়েন। তখন ছাত্রলীগের নেতারা আবরারের হলের সহপাঠীদের ডেকে আনেন এবং তাদের দিয়ে নিথর দেহটি দোতলা ও নিচতলার মাঝামাঝি সিঁড়িতে নিয়ে রাখেন।

এরপর নিশ্চিন্তে টেলিভিশনে লা লিগার ফুটবল ম্যাচ দেখছিল তারা। এমনকি সেখানে রাতের খাবারও খেয়েছে তারা। হত্যাকাণ্ডের দিন হলে অবস্থান করা শিক্ষার্থীরা এমন তথ্য জানিয়েছেন। ঘাতক সন্দেহে এমন ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের অনেকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বর্ণনা দিয়েছে কি নির্মমতায় হত্যা করা হয়েছে আবরারকে।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

আবরার হত্যা,বুয়েট,ছাত্রলীগ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত