• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
  • ||

বুয়েট ছাত্রলীগের দুই টর্চার সেল, ব্যতিক্রম হলেই দেওয়া হতো র‌্যাগ

প্রকাশ:  ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১১:৪৪ | আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১২:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় আবরার ফাহাদকে। কক্ষটি ছিল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ঘোষিত টর্চার সেল।

ওই কক্ষে শাখা ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপসম্পাদক ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র অমিত সাহা, উপদফতর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র মুজতাবা রাফিদ, সমাজসেবা উপসম্পাদক ও বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ইফতি মোশাররফ ওরফে সকাল এবং প্রত্যয় মুবিন থাকতেন।

এই কক্ষে কোনো কিছু একটু ব্যতিক্রম হলেই শেখানোর নাম করে জুনিয়রদের র‌্যাগ দেওয়া হতো বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, শুধু ২০১১ নং কক্ষ ছাড়াও শেরে বাংলা হলের ২০০৫ নম্বর কক্ষটিও ছিল ছাত্রলীগের টর্চার সেল। এই দুই কক্ষে একাধিক শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগের মিছিল বা অনুষ্ঠানে অংশ না নিলে কিংবা রাজনৈতিক বড় ভাইদের কথা না শুনলে এই দুই রুমে এনে তাদের নির্যাতন করা হতো।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, চড়-থাপ্পড়ের পাশাপাশি লোহার রড় দিয়ে পেটানো হত তাদের। এসব নির্যাতনের সবই হতো বিশ্ববিদ্যালয় আবরার হত্যার এজহারভুক্ত আসামি ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলের নির্দেশে। এসময় উপস্থিত থাকতেন ২০০৫ নম্বর রুমের আবাসিক ছাত্রলীগ নেতা।

বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার জামিউস সানী বলছেন, এ বিষয়ে জানতেন না তিনি। নির্যাতনের অভিযোগ আসলে আরও আগেই ব্যবস্থা নেয়া যেত।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

ছাত্রলীগ,বুয়েট,আবরার হত্যা,র‌্যাগ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close