Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

চার্জশিটে এমপিপুত্রের নাম না থাকায় আদালত চত্বরে ক্ষোভ

প্রকাশ:  ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:০০ | আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:১১
বরগুনা প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১৪ আসামিকে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে পুলিশ। এদের মধ্যে ৬ কিশোরকে শিশু কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। অন্যদের কারাগারে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় অভিযুক্ত আসামীরা এমপিপুত্র সুনাম দেবনাথে নাম চার্জশিটে না থাকায় চিৎকার করে ক্ষোভ প্রকাশ করে।

মঙ্গলবার বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো: সিরাজুল ইসলাম গাজী মামলার পরবর্তী তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করেন আদালত।

আদালত চত্বরে আসামিদের ঢোকানো এবং গাড়িতে ওঠানোর সময় রিফাত হত্যার অন্যতম আসামি রিশান ফরাজী চিৎকার করে বলেন, সুনাম দেবনাথ আমাদের লিডার, সুনাম দেবনাথই আমাদের নির্দেশদাতা, সে কেন আসামি হয়নি, তাকে কেন আসামি করা হলো না?

রিশান ফরাজি আরও বলেন, মিন্নি কেন সাত নম্বর আসামি? রিশান ফরাজি বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সাংসদ মো. দেলোয়ার হোসেনের ভায়রার ছেলে এবং চার্জশিটভুক্ত এক নম্বর আসামি রিফাত ফরাজীর ছোট ভাই।

রিফাত হত্যাকান্ডে অভিযুক্তরা সুনাম দেবনাথকে নিয়ে এমন উচ্চস্বরে মন্তব্যের সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত থাকা অনেকে।

বরগুনা ১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথের ছেলে সুনাম দেবনাথ । তিনি জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক। রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার পর থেকেই নানা কারণে সুনাম আলোচনায় আসেন। অভিযুক্ত আসামিরা রিমান্ড শেষে আদালতে রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাতকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ওই দিন রাতে রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সেখানে মিন্নিকে প্রধান সাক্ষী করা হয়েছিল। এ ঘটনার পর সুনাম দেবনাথ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মিন্নিকে খলনায়ক বানানোর চেষ্টা করেন। তিনি লিখেছিলেন, এখন যাকে মিডিয়া হিরো বানাচ্ছে, সে-ই এ ঘটনার ভিলেন হতে পারে।এ রপর তদন্তের স্বার্থে হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে মামলার ৭ নম্বর আসামী করে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতে মিন্নিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সুনাম দেবনাথ অবশ্য বরাবরই এ হত্যাকাণ্ডে তার জাড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলে আসছেন, রিফাত হত্যা এবং এ হত্যায়জড়িতদের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। কখনো ছিলও না। আমার বাবা ও আমার সম্মান ক্ষুন্ন করতে অভিযুক্তদের আমার নাম বলতে প্ররোচিত করছে।।আমি এ হত্যাকান্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

মিন্নি,সুনাম দেবনাথ,এমপি পুত্র সুনাম
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত