Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||
শিরোনাম

ঢাকায় হচ্ছে ৬০ হাজার ফ্লাটের নতুন শহর

প্রকাশ:  ২০ আগস্ট ২০১৯, ০৯:৩৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

রাজধানীর পূর্বাচলে নতুন একটি শহর গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে হাতে নেওয়া হয়েছে মেগা প্রকল্প। এই প্রকল্পে ১৭টি হাই-রাইজ অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে মোট ৬০ হাজার ফ্লাট নির্মাণ করা হবে।

এ প্রকল্পের প্রতিটি ব্লকে পার্ক, খেলার মাঠ, মসজিদ, গভীর নলকূপ থাকবে। ভবনে সূর্যের আলো যেন আসে এবং বৃষ্টির পানির যথোপযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিকভাবে গড়ে তোলা হবে।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ বৈঠকে এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, রাজউকের কাজের টেকনিক্যাল সমীক্ষার জন্য ইতিমধ্যে পরামর্শক নিয়োগ করা হয়েছে এবং প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে।

সংসদের কার্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, বৈঠকে কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এবং উত্তরা তৃতীয় প্রকল্পের যে কোনো খালি প্লটে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বর্জ্য পৃথকীকরণের জন্য বর্জ্যরে শ্রেণিভেদ অনুযায়ী এলাকাভিত্তিক পাঁচটি বিন তৈরির পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলো বর্জ্য পুনঃব্যবহারযোগ্য করে সম্পদে পরিণত করেছে অথচ বাংলাদেশে এটি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ প্রকল্প দুটিতে ছোট ছোট রিসাইক্লিং মেশিনারিজ স্থাপনের মাধ্যমে বর্জ্য বাণিজ্যিকভাবে রিসাইক্লিং করারও পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এবং উত্তরা তৃতীয় প্রকল্পে সঠিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে পারলে মানুষ সেখানে গিয়ে বসবাসে আগ্রহী হবেন। এছাড়া পূর্বাচলে প্রকল্পে ওভারহেড ক্যাবল সিস্টেমের বদলে ডিরেক্ট বিউরাইড পদ্ধতিতে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল লাইন তৈরির পরামর্শ দেন তিনি।

রাজধানীর জনসংখ্যার চাপ কমানোর জন্য আশুলিয়ায় ‘সিডনি অপেরা হাউসে’র আদলে ‘ঢাকা অপেরা হাউস’ এবং কেরানীগঞ্জে স্যাটেলাইট সিটি নির্মাণে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয় বৈঠকে। এসব প্রকল্পের জন্য তুরাগ নদীর পাড় এবং সাভার ও আশুলিয়া এলাকার কিছু অংশ নির্বাচিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু এলাকার জলাশয়গুলো অবৈধ দখলদাররা নানাভাবে দখল করে নিচ্ছে বলে বৈঠকে অবহিত করেন কমিটির সভাপতি। আশুলিয়া ও কেরানীগঞ্জ স্যাটেলাইট টাউন প্রকল্পের সমীক্ষা যাচাই এবং ডিপিপি প্রণয়ন করে অনুমোদনের জন্য দ্রুত একনেকে পাঠানোর পরামর্শ দেয়া হয় বৈঠকে।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কমিটির সদস্য বজলুল হক হারুন, জিল্লুল হাকিম, আনোয়ারুল আশরাফ খান, সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন ও বেগম ফরিদা খানম অংশ নেন। কমিটিকে সহায়তার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন-১) আখতার হোসেন, রাজউকের চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আখতারুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

ঢাকা,রাজউক,পূর্বাচল
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত