• রোববার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

পান্থপথের হোটেল থেকে ৩২ নম্বরে হামলার পরিকল্পনা, চার্জশিট ১৪ জনের বিরুদ্ধে

প্রকাশ:  ১১ আগস্ট ২০১৯, ১৮:৪৭ | আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৯, ১৯:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পান্থপথের একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান নিয়ে ২০১৭ সালে ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে `জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচিতে ‘হামলা পরিকল্পনার’ সঙ্গে নব্য জেএমবির মোট ১৫ জনের সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

এ ঘটনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা মামলা প্রসঙ্গে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে। চার্জশিটও তৈরি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে অনুমোদনের জন্য । অনুমোদন পেলে চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

দুই বছর আগে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান চলার মধ্যেই ৩০০ মিটার দূরে পান্থপথের হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে অভিযান চালান কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও সোয়াট সদস্যরা। কয়েক ঘণ্টা ধরে ওই অভিযানের এক পর্যায়ে চারতলা হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনাল থেকে বিকট বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ পাওয়া যায়। বিস্ফোরণে হোটেলের চতুর্থ তলার রাস্তার দিকের অংশের দেয়াল ও গ্রিল ধসে নিচে পড়ে। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সাইফুল ইসলাম নামে নব্য জেএমবির এক সদস্য আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সে ‘সুইসাইড ভেস্টে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আত্মঘাতী’ হয়েছেন।

রোববার ( ১১ আগস্ট) পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, নিজেদের অস্তিত্ব জানাতে জাতীয় শোক দিবসে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের ওপর বোমা হামলা চালানোই ছিল জঙ্গিদের এই দলটির উদ্দেশ্য। হামলা পরিকল্পনায় জড়িত ১৫ জনের মধ্যে সাইফুলর মৃত্যু হওয়ায় বাকি ১৪ জনের নামে চার্জশিট চূড়ান্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- আকরাম হোসেন ওরফে নিলয়, তার মা সাদিয়া হোসেন লাকি, বাবা আবু তুরাব খান, বোন তাজরীন খানম শুভ, তানভীর ইয়াসীন কবির তার স্ত্রী হুমায়রা জাকির নাবিলা, আব্দুল্লাহ আয়চান কবিরাজ, আবুল কাশেম ফকির, লুলু সরদার ওরফে শহিদ মিস্ত্রী, তাজুল ইসলাম ছোটন, নাজমুল হাসান মামুন, নব মুসলিম আবদুল্লাহ, কামরুল ইসলাম শাকিল এবং তারেক মোহাম্মদ আদনান।

তিনি বলেন, এই ১৪ জনের সবাইকেই আমরা গ্রেফতার করেছি। তারা কারাগারে আছেন। এদের মধ্যে দশজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে এরা প্রত্যেকেই নব্য জেএমবির সদস্য। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে যখন জঙ্গিরা কোনঠাসা, তখন নিলয় এ সংগঠনের দায়িত্ব নেন। হামলা পরিকল্পনার নের্তৃত্বেও নিলয় ছিল। তাদের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন তানভীর, তার স্ত্রী এবং নিলয়ের মা-বাবা ও বোন। বোমার সরঞ্জাম সরবরাহ করেন কাশেম, শহিদ মিস্ত্রী ও ছোটন।

পূর্বপশ্চিমবিডি-এনই

পান্থপথে জঙ্গি,জঙ্গি,পান্থপথ,নব্য জেএমবি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত