Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২১ জুন ২০১৯, ৭ আষাঢ় ১৪২৬
  • ||

দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবার জিরো টলারেন্স: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ:  ১২ জুন ২০১৯, ১৯:২২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকার টানা তৃতীয়বার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের জনগণের কল্যাণে এবং দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। দুর্নীতিবাজ যত বড়ই হোক, এমনকি দলের হলেও কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

বুধবার (১২ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব) রফিকুল ইসলাম এবং বিরোধী দল জাতীয় পার্টির রওশন আরা মান্নানের আলাদা দু’টি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে দেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি ভোক্তা অধিকার রক্ষায় ম্যাজিস্ট্রেট মনজুর শাহরিয়ারকে স্বপদে থেকে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) শক্তিশালী করা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দুর্নীতি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার বিশেষ পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার দুর্নীতির বিষবৃক্ষ সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলে দেশের প্রকৃত আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে একটি সুশাসনভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামো ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করতে বদ্ধপরিকর, বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/দফতরে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করছে। ফলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতির প্রবণতা কমে আসছে। দুদক প্রাতিষ্ঠানিক টিমের মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা দফতরের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির স্বরূপ এবং কারণ উদঘাটন করে তা প্রতিরোধে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা দফতরে সুপারিশ প্রেরণ করে। ফলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা দফতরসমূহ তাদের প্রতিষ্ঠানে সংগঠিত দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারছে। দুদকের এরূপ কার্যক্রমের ফলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা দফতরে দুর্নীতির মাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, রোজার সময় আমি দেশের বাইরে ছিলাম, তখন বেশ কিছু কিছু বড় বড় জায়গায় একজন অফিসার হাত দিয়েছেন বলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলো, যেটা আমার কাছে মোটেও গ্রহণযোগ্য ছিল না। আমি বলে দিয়েছে তাদের আগের জায়গায় বহাল রাখতে।

দূর্নীতিবাজদের হুঁশিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বড় বড় জায়গায় খারাপ কিছু থাকবে না, অনিয়ম হবে না। যারা মালিক তারাও তো গ্যারান্টি দিতে পারবে না। সেখানে পরীক্ষা করতে পারবে না, কেন সচেতন করতে পারবে না। সাধারণ ছোট খাট সেগুলো ধরতে পারবে, বড় অর্থশালী সম্পদশালী হলে তাদের হাত দেওয়া যাবে না, তাদের অপরাধ অপরাধ না। এটাতো হয় না। অপরাধী সে অপরাধী, আমার চোখে অপরাধী সে অপরাধী, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিপিবিডি-এনই

প্রধানমন্ত্রী
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত