Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬
  • ||

অবশেষে যেভাবে ঈদ এলো

প্রকাশ:  ০৫ জুন ২০১৯, ০৬:৫১ | আপডেট : ০৫ জুন ২০১৯, ০৭:১২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা নিয়ে নানা নাটকীয়তার পর আজ বুধবার (৫ জুন) দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফেতর।সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ সোমবার শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাওয়ায় ও মঙ্গলবার ঈদ হওয়ায় অনেকেই নিশ্চিত ছিলেন যে, বুধবারই ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে । কারণ বাংলাদেশে সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর চাঁদ দেখা যায়। আর চলতি বছর রমজানও শুরু হয়েছিল সৌদি আরবের একদিন পর।

ঈদুল ফেতরের তারিখ নির্ধারণে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বৈঠকে বসে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। ইফতারের পর থেকেই সবাই কান পেতে ছিলেন কখন বেজে ওঠবে সেই গান, ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ। অপেক্ষার প্রহর পেরিয়ে যায়, কিন্তু শাওয়ালের চাঁদ দেখার ঘোষণা আর আসে না। বৈঠক শেষে রাত ৯টার দিকে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটর সভাপতি ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ প্রেস ব্রিফিংয়ে আসেন। তিনি ঘোষণা দেন, দেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই আগামী বৃহস্পতিবার পালিত হবে ঈদুল ফিতর।

ধর্মমন্ত্রীর ওই ঘোষণার পর পরই ফেসবুকসহ সোশাল মিডিয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে থাকে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার খবর। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শুরু হয় আলোড়ন।

রাত ১১টার দিকে আবারও জরুরি বৈঠকে বসে চাঁদ দেখা কমিটি। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে কমিটির বৈঠকে শাওয়াল চাঁদ ওঠার বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। যে সময়টায় দেশের বেশিরভাগ মানুষ ঘুমের প্রস্ততি নিচ্ছেন, ওই সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা দেন, দেশের আকাশে আজ মঙ্গলবার চাঁদ দেখা গেছে। বুধবার সারা দেশে ঈদ উদ্‌যাপিত হবে।

চাঁদ দেখার সংশোধিত ঘোষণার বিষয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টার পর কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার শতাধিক ব্যক্তি চাঁদ দেখেছেন বলে খবর আসে। তখন ওই খবরের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কুড়িগ্রাম এবং লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর চাঁদ দেখা কমিটির সদস্যরা বৈঠক করেন। শরীয়ত মোতাবেক কোরআন হাদিসের আলোকে চাঁদ দেখার সংশোধিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানিয়েছেন, পাঁচজন ব্যক্তি চাঁদ দেখেছেন। আরও ১১ জন দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। শরিয়ত মোতাবেক যদি কমপক্ষে দুজন ইমানদার ব্যক্তি চাঁদ দেখার ঘোষণা দেন, তাহলে সেই ঘোষণা মেনে নেওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, শরিয়ত মোতাবেক কোরআন ও হাদিস অনুযায়ী যা করা উচিত তাই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরে যে সংশোধিত ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তাও শরিয়ত মোতাবেক। প্রথম দিকে কোথাও কোনো চাঁদ দেখার খবর পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে সংশোধিত খবরটি এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, রাত ১০টা ১৫ মিনিট থেকে চাঁদ দেখার খবর আসে। অন্যান্য জায়গায় তখন তারাবি হয়ে গেছে। আমরা নিজেরাও তারাবি পড়েছি। খবরগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে যাচাই-বাছাই করার জন্য জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সদস্যদের নিয়ে বসেছি। আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামীকাল (বুধবার) সারাদেশে ঈদ উদ্‌যাপিত হবে।

ঈদের চাঁত
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত