Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২৬ মে ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
  • ||

পদ্মাসেতুর ১৩তম স্প্যান বসছে রোববার

প্রকাশ:  ১৬ মে ২০১৯, ১৩:৫০
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

পদ্মাসেতুর মাওয়া প্রান্তে সেতুর ১৩তম স্প্যানটি বসানো হবে রোববার (১৯ মে)। আজ এই স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। পরে দিনক্ষণ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রকৌশলীরা।

১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের '৩-বি' নম্বরের স্প্যানটি মাওয়া প্রান্তের ১৪ ও ১৫ নম্বর খুঁটির ওপর বসবে। এ স্প্যানটি বসানো হলে পদ্মাসেতুর মূল অবকাঠামো ১৯৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়ে উঠবে।

পদ্মাসেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ১৩ তম এই স্প্যানটি বর্তমানে মাওয়া প্রান্তের কুমারভোগ কনস্ট্রাকশনের স্টেক ইয়ার্ডে রাখা হয়েছে। রোববার সকালে ৩ হাজার ৬শ টন ওজন ক্ষমতার শক্তিশালী ক্রেনবাহী ভাসমান জাহাজ 'তিয়ান-ই' স্প্যানটিকে খুঁটির কাছে নিয়ে যাওয়া হবে। এবং আবহাওয়াসহ সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে স্প্যানটি সফলভাবে পিলারে বসানো হবে।

হুমায়ুন কবির আরও জানান, এই স্পেনটি বসানো শেষ হলে এ মাসের শেষ দিকে জাজিরা প্রান্তে আরও একটি স্প্যান (১৪তম) বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে গত ৬ মে মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের মাঝামাঝি স্থানে ২০ ও ২১ নম্বর খুঁটির ওপর বসানো হয় ১২তম স্প্যান।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বসানো হয় সেতুর প্রথম স্প্যান। এর প্রায় ৪ মাস পর ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় স্প্যানটি বসে। এর দেড় মাস পর ১১ মার্চ জাজিরা প্রান্তে তৃতীয় স্প্যান বসানো হয়। এর ২ মাস পর ১৩ মে বসে চতুর্থ স্প্যান। এরপর এক মাস ১৬ দিনের মাথায় পঞ্চম স্প্যানটি বসে ২৯ জুন। ৬ মাস ২৫ দিনের মাথায় ২৩ জানুয়ারি বসে ষষ্ঠ স্প্যানটি।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারে বসে জাজিরা প্রান্তের সপ্তম স্প্যান। ২২ মার্চ বসে অষ্টম স্প্যান এবং মাওয়া প্রান্তে গত ১০ এপ্রিল বসে নবম স্প্যান। ১০ এপ্রিল মাওয়ায় ১৩ ও ১৪ নম্বর পিলারে দশম। ২৩ এপ্রিল ১১তম এবং সর্বশেষ ৬ মে ১২তম স্প্যানটি বসে।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান। এরপরই মাথা তুলবে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের স্বপ্নের পদ্মাসেতু।

মূল সেতু নির্মাণে কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনেরই আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

পিপিবিডি/এসএম

পদ্মাসেতু,মুন্সীগঞ্জ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত