Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
  • ||

সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে রাতে

প্রকাশ:  ২৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৪২ | আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৬:১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon
সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ। ফাইল ছবি

জেষ্ঠ্য সাংবাদিক ও কলামিস্ট মাহফুজ উল্লাহর মরদেহ থাইল্যান্ড থেকে রাতে ঢাকায় পৌঁছাবে। বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর মরদেহ রাত ১২টা ৪০মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে করে ঢাকায় পৌঁছবে। রোববার (২৮) বাদ জোহর গ্রিন-রোডের ডরমিটরি মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা হবে। দ্বিতীয় নামাজের জানাজা হবে বাদ আছর জাতীয় প্রেসক্লাবে।

শায়রুল কবির বলেন, মরহুমের ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে। সবটুকুই তদারকি করছেন মরহুমের বড় ভাই ডক্টর মাহবুবউল্লাহ। তিনি বিএনপির মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন।

সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ শনিবার (২৭ এপ্রিল) ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্থানীয় সময় ১১টা ৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ১০টা ৫ মিনিট) ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার সকালে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তার মেয়ে নুসরাত হুমায়রা। মাহফুজ উল্লাহ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের সময় স্ত্রী দিনারজাদী বেগম, ছোট মেয়ে ডা. নুসরাত হুমায়রা, জামাতা মিনহাজুল হক হাসপাতালে ছিলেন।

মাহফুজ উল্লাহর মৃত্যুর খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক মরহুমের ঢাকার বাসায় ছুটে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইসচেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা।

মাহফুজ উল্লাহর জন্ম ১৯৫০ সালে নোয়াখালীতে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।

তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী হিসেবে ঊনসত্তরের ১১ দফা আন্দোলনে অংশ নেন মাহফুজ উল্লাহ। আইয়ুব খানের শাসনামলে তাকে ঢাকা কলেজ থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল। তিনি পরে ছাত্র ইউনিয়নের (মেনন) সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

ছাত্রাবস্থাতেই মাহফুজ উল্লাহ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। বাংলাদেশের একসময়ের জনপ্রিয় সাপ্তাহিক বিচিত্রার ১৯৭২ সালে জন্মলগ্ন থেকেই তিনি জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন বাংলা ও ইংরেজি দৈনিকে কাজ করেছেন তিনি। পরিবেশ বিষয়ক সাংবাদিকতায় তার অবদান রয়েছে।

মাহফুজ উল্লাহ মাঝে চীনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে, কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসে দায়িত্ব পালন করেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন তিনি।

তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে শিক্ষকতায় যুক্ত ছিলেন। এছাড়া টেলিভিশনের আলোচনা অনুষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত দেখা যেত তাকে।

বিভিন্ন বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লেখা মাহফুজ উল্লাহর বইয়ের সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি।


পিপিবিডি/এসএম

সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত