Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

লেখক হয়ে ওঠার গল্প শুনালেন সমরেশ মজুমদার

প্রকাশ:  ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৩:৫৯
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

দুই বাংলার জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক সমরেশ মজুমদার। সিলেটে গল্প-আড্ডায় তিনি মুগ্ধ করেছেন পাঠক-সুধীজনকে। জানিয়েছেন তার লেখক হয়ে ওঠার শুরুর কথা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে তার স্মৃতিকথা তারই মুখ থেকে শুনেছেন শ্রোতারা। সমরেশ মজুমদারকে কাছে পেয়ে অভিভূত হয়েছেন অনেকে।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সিলেটে বাতিঘর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে লেখক-পাঠক-সুধীজনের প্রাণবন্ত আড্ডায় মধ্যমণি ছিলেন ‘কালবেলা’, ‘কালপুরুষ’সহ কালজয়ী বিভিন্ন উপন্যাসের রচয়িতা সমরেশ মজুমদার।

বাতিঘর থেকে প্রকাশিত তার নতুন বই ‘অপরিচিত জীবনযাপন’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সমরেশ মজুমদারের সিলেট আসেন। এ উপলক্ষে বাতিঘর সিলেট শাখা আয়োজন করে ‘বই প্রকাশের গল্প’ নামে একটি আড্ডার।

‘বই প্রকাশের গল্প’ বলতে গিয়ে লেখক সমরেশ মজুমদার তার লেখক হয়ে ওঠার গল্প থেকে শুরু করে তার বিভিন্ন উপন্যাসের চরিত্র নিয়েও কথা বলেন। ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্যে তিনি বলেন, মঞ্চনাটকের প্রতি আমার খুব টান ছিল। আমি যে নাট্যদলের সঙ্গে জড়িত ছিলাম, তাদের জন্যই প্রথম একটি চিত্রনাট্য লিখি। এর নাম ছিল ‘অন্তর আত্মা’। নাটকটি মঞ্চায়নের পর এটি ছাপানোর জন্য দেশ পত্রিকায় পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু তারা এটি ছাপেনি। পরে এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পত্রিকার তখনকার সম্পাদক বিমল করের সঙ্গে দেখা করলে তিনি গল্পটি ছাপান। গল্প ছাপানোর পর পত্রিকা থেকে আমাকে ১৫ টাকা দেওয়া হয়েছিল। ওই টাকা দিয়ে বন্ধুদের নিয়ে কফি খেয়ে, আড্ডা দিয়ে খরচ করেছি।

সমরেশ বলেন, এরপর খাওয়ার লোভে বন্ধুরা আমাকে লেখার জন্য তাগিদ দেন। আমিও লেখার চেষ্টা শুরু করি, লিখতে থাকি।

‘সাতকাহন’-এর দীপাবলির কথা বলতে গিয়ে সমরেশ মজুমদার বলেন, আমার বাড়ির পাশে ১২ বছরের একটি মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের দিন সকালে মেয়েটি আমার হাত ধরে বলেছিল, ‘কাকু, আমাকে বাঁচাও’। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও মেয়েটির বিয়ে ঠেকাতে পারিনি। তবে বিয়ের আট দিন পর বিধবা হয়ে মেয়েটি ফিরে এসে আমাকে বলেছিল, ‘কাকু, আমি বেঁচে গেলাম’। আর এখান থেকেই দীপাবলি চরিত্রটি তৈরি হয়।

সিলেটকে তার জন্মভূমির সঙ্গে তুলনা করে সমরেশ মজুমদার বলেন, সিলেটে এসে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছি। কারণ উত্তরবঙ্গের যে চা বাগানে আমার দীর্ঘ সময় কেটেছে, ঠিক সে জায়গার মতোই সিলেট। আমি যখন এয়ারপোর্ট থেকে আসছিলাম তখন মনে হচ্ছিল সিলেটের সঙ্গে ভারতের উত্তরবঙ্গের সেই চা বাগানের ও এর আশপাশ এলাকার অনেক মিল।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

সমরেশ মজুমদার
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত