Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

টয়লেট থেকে উদ্ধার সেই শিশুর ঠিকানা ছোটমনি নিবাস

প্রকাশ:  ১৬ মে ২০১৯, ২২:৫৫ | আপডেট : ১৬ মে ২০১৯, ২৩:২১
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের শিশু হাসপাতালের টয়লেট থেকে উদ্ধার ফুটফুটে নবজাতকের ঠিকানা হলো আজিমপুরের ছোটমনি নিবাসে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে ছোটমনি নিবাসের কর্মকর্তাদের কাছে তাকে তুলে দেয়া হয়। পরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে শিশুটিকে আজিমপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।ওই নবজাতকটির নাম রাখা হয়েছে গহিন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিশু হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ।

এদিকে, শিশুটি উদ্ধারের পর থেকে তাকে দত্তক নিতে শেরেবাংলা নগর থানায় শত শত ফোন এসেছে।

হাসপাতাল ও শেরেবাংলা নগর থানা সূত্রে জানা গেছে, তিন দিন আগে শিশু হাসপাতালের বাথরুমে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুটিকে দত্তক নিতে বিভিন্ন মহল থেকে তদবির শুরু হয়। তারা সকলেই বাচ্চাটিকে নিতে চান। কিন্তু আইনগত জটিলতায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাচ্চাটি কাউকে দিতে পারছে না।

শিশু হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, বাথরুমে পাওয়া শিশুটি বর্তমানে সুস্থ। তাকে সমাজকল্যাণ অধিদফতরের অধিনস্থ আজিমপুর ছোটমণি নিবাস কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিনদিন ধরে শিশুটিকে হাসপাতালের ওয়ার্ডমাস্টার রাসেল ও তার স্ত্রী লালন-পালন করছেন। তাদের সেবা-যত্নে শিশুটি সুস্থ। তারা বাচ্চাটি দত্তক নিতে চান। পাশাপাশি শিশুটির দায়িত্ব নিতে বৃত্তবান ও প্রভাশালীরা ছুটে আসছেন। যেহেতু শিশুটি হস্তান্তরে আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে তাই আমাদের পক্ষে হস্তান্তর করা সম্ভব নয়। এটি সমাজকল্যাণ অধিদফতরের অধীনে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

সমাজকল্যাণ অধিদফতরের কর্মকর্তা ইসরাত জাহান জানান, বর্তমানে শিশুটিকে ছোটমণি নিবাস কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তারপর একজন ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে পারিবারিক আদালত বসিয়ে কাকে দত্তক দেয়া হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি বলেন, গত তিনদিনে বিভিন্ন মহল থেকে শিশুটিকে দত্তক নিতে শতাধিক মানুষ আবেদন করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তির কাছে শিশুটিকে তুলে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিশুটি দত্তক নেয়ার তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমামের ছোট ছেলে ফারুক, সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ শিশুটিকে নিতে ছুটে আসছেন। তারা শিশুটির নামে বিপুল অর্থ, বাড়ি, ফ্ল্যাট লিখে দিয়ে দত্তক নিতে সমাজসেবা অধিদফতরে আবেদন করেছেন। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার শিশু হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, গত তিনদিন আগে এ হাসপাতালের ওয়ার্ডমাস্টার রাসেল ও তার স্ত্রী পলি শিশু হাসপাতালের ৩০১নং কেবিন ভাড়া করে শিশুটির লালন-পালন করছেন। এ দম্পতি শিশুটিকে স্থায়ীভাবে পেতে চান।

ওয়ার্ডমাস্টার রাসেল বলেন, গত সাত বছর আগে বিয়ে করেছি। আমাদের কোনো সন্তান নেই। তাই আমি শিশুটি দত্তক নিতে চাই।

প্রসঙ্গত, বুধবার সকাল ১০টার দিকে গাইনি বিভাগের ডা. আফরোজা গনি আইসিইউর সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় নবজাতকটিকে দেখতে পান। পরে আয়ার মাধ্যমে শিশু ওয়ার্ডে পাঠানোর পর বাচ্চাটিকে ভর্তি করার ব্যবস্থা করেন তিনি।

পিপিবিডি/জিএম

শিশু হাসপাতাল,টয়লেট থেকে উদ্ধার,ফুটফুটে নবজাতক,আজিমপুরের ছোটমনি নিবাস
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত