Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

ভূমধ্যসাগরে এখনো নিখোঁজ ৩৯ বাংলাদেশি, তালিকা প্রকাশ

প্রকাশ:  ১৫ মে ২০১৯, ১৫:১৮ | আপডেট : ১৫ মে ২০১৯, ১৬:১৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

তিউনিসিয়ার উপকূলবর্তী ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় একজন নিহত, ৩৯ জন নিখোঁজ এবং ১৪ জন বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, যারা নিখোঁজ রয়েছেন তারা সবাই মারা গেছেন।

তিউনিসিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে নিহত ও উদ্ধার পাওয়া বাংলাদেশিদের সন্ধানে লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত একটি তালিকা করে পাঠিয়েছেন।

বুধবার (১৫ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

নিখোঁজদের মধ্যে কমপক্ষে ২২ জন বৃহত্তর সিলেটের বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ।

তবে দূতাবাস জানিয়েছে, তারা উদ্ধার পাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এ তালিকা তৈরি করেছে। এখনও সঠিক তথ্য তারা যাচাই করতে পারেনি।

অন্যদিকে, ১৩০ জন যাত্রী নিয়ে একই জলপথে পাড়ি দেওয়া নৌযানটি নিরাপদে ইতালি উপকূলে পৌঁছেছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, সেখানেও ৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিক ছিল।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) গভীর রাতে লিবিয়ার উপকূল থেকে ৭৫ জন অভিবাসী একটি বড় নৌকায় করে ইতালির উদ্দেশে রওনা হয়। গভীর সাগরে তাদের বড় নৌকাটি থেকে অপেক্ষাকৃত ছোট একটি নৌকায় তোলা হলে কিছুক্ষণের মধ্যে সেটি ডুবে যায়।

শনিবার (১১ মে) তিউনিসিয়ার জেলেরা ১৬ জনকে উদ্ধার করে সকালে জারযিজ শহরের তীরে নিয়ে আসেন। উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি। তারা জানান, সাগরের ঠাণ্ডা পানিতে তারা প্রায় আট ঘণ্টা ভেসে ছিলেন।

নিখোঁজদের তালিকা:

কিশোরগঞ্জের সাব্বির (ভৈরব), জালাল উদ্দিন ও সজল (ভৈরব),

মাদারীপুরের আলী আকবর (শিবচর), জাকির হাওলাদার (শিবচর), শাহেদ (রাজৈর), নাইম (রাজৈর), স্বপন, সজীব ও নাদিম (রাজৈর)

শরীয়তপুরের সুমন, মনির, রাজিব ও পারভেজ।

নরসিংদীর জাহিদ।

সিলেটের আব্দুল আজিজ (ফেঞ্চুগঞ্জ), আহমদ (ফেঞ্চুগঞ্জ), লিটন আহমেদ (ফেঞ্চুগঞ্জ), খোকন (বিশ্বনাথ), আফজাল হোসেন (গোলাপগঞ্জ), মমিন আহমেদ (বিশ্বনাথ), দিলাল আহমেদ (বিশ্বনাথ), কাশেম (গোলাপগঞ্জ), জিল্লুর রহমান, কামরান আহমেদ মারুফ, রুকন আহমেদ (বিশ্বনাথ), আয়াজ আহমেদ (ফেঞ্চুগঞ্জ), ইন্দ্রজিত, সুজন আহমেদ (বিয়ানীবাজার), শোয়েব (বিয়ানীবাজার) ও সাজু।

সুনামগঞ্জের মৌলানা মাহবুবুর রহমান ও নাজির আহমেদ।

মৌলভীবাজার হাফিজ শামিম আহমেদ, জুয়েল (বড়লেখা) ও ফাহাদ আহমেদ (বড়লেখা)।

হবিগঞ্জের মোক্তাদির।

নোয়াখালীর আব্দুর রহিম ও নাসির আহমেদ (চাটখিল)।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আহত ১৪ জনের মধ্যে চার জনের অবস্থা গুরুতর। তারা তিউনিসিয়ার জার্জিস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকি ১০ জন তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট ক্যাম্পে রয়েছেন।

আবদুল মোমেন বলেন, নোয়াখালীর তিন ভাইয়ের একটি চক্র এবং সিলেটের ফ্রড ট্রাভেল এজেন্সিগুলো তাদের পাঠিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা এবার একটি শক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করবো।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের কাছ থেকে জানা গেছে, তারা চার থেকে ছয় মাস আগে দুবাই হয়ে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া হয়ে ইতালিতে যাওয়ার জন্য লিবিয়ায় প্রবেশ করেন। তাদেরকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো। যারা আহত হয়েছেন তারা দেশে ফিরতে চাইলে তাদের নিয়ে আসা হবে এবং যেসব বাংলাদেশি নৌকাডুবির ঘটনায় মারা গেছেন, তাদের লাশ স্বজনরা চাইলে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।


পিপিবিডি/জিএম

তিউনিসিয়া,ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি,৩৯ বাংলাদেশি নিখোঁজ,পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত