Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

ছাত্রলীগের কমিটিতে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, হামলার অভিযোগ

প্রকাশ:  ১৩ মে ২০১৯, ২০:২৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

সদ্যঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।

সোমবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ মিছিল করেন তারা। পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাসের মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে দিয়ে মিছিলটি ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসিত) অবস্থিত সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা।

এ সময় পদবঞ্চিত সাবেক প্রচার সম্পাদক সাঈফ বাবু বলেন, তারা (শোভন-রাব্বানী) একটি বিতর্কিত কমিটি ঘোষণা করেছেন। আপনারা জানেন, এই কমিটিতে শিবির কোটাধারীদের স্থান দেয়া হয়েছে। যারা ক্যাম্পাসে বিগত ১০ বছরে ছাত্রলীগের মিছিল-মিটিং করেছে, ডাকসু নির্বাচনসহ কোটা সংস্কার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা করেছে তাদের এই কমিটিতে স্থান দেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, গত কমিটির ২৩ জনের মধ্যে ১৯ জনকে কোনো পদ-পদবি দেয়া হয়নি। আমরা শেখ হাসিনা কাছে একটি দাবি জানাতে চাই, এই বিতর্কিত কমিটিতে যারা বিতর্কিত তাদের বাদ দিয়ে যারা প্রকৃত ছাত্রলীগ তাদের যেন স্থান দেয়া হয়।

ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে নির্বাচিত ডাকসুর সদস্য তানভীর হাসান সৈকত বলেন, আপনারা জানেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে যারা সংগঠনের গঠনতন্ত্রের নিয়ম মানে না, তাদের কমিটিতে রাখা হয়েছে। আমরা যখন এর বিরুদ্ধে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল বের করি তখন ছাত্রলীগের কিছু গুন্ডা ও অছাত্র আমাদের ডাকসু সদস্য তিলোত্তমা শিকদার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক বিএম লিপি আক্তারের ওপর হামলা করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেনসহ অনেকে।

সোমবার (১৩ মে) ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানির স্বাক্ষরিত কমিটির তালিকা ১৯১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১১-১২ মে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয় ছাত্রলীগের ২৯তম কেন্দ্রীয় সম্মেলন। সে সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করার কথা থাকলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভিন্ন ইস্যুর কারণে প্রায় আড়াই মাস পর (৩১ জুলাই) রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সে সময় নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণার পাশাপাশি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার তাগিদ দেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সঙ্গে সহসভাপতি পদের রয়েছেন ৬১ জন। সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানির সঙ্গে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন ১১ জন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন মোট ১১জন।

এছাড়া ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আল-আমীন সিদ্দিক সুজন। তার সঙ্গে উপক্রীড়া সম্পাদক পদে রয়েছেন আরও তিন জন। বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পদক সাদুন মোস্তফার রঙ্গে উপবিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক রয়েছেন আরও চার জন। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাকিনুল হক চৌধুরী। যার কমিটিতে উপসম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আরও ৫ জন। পাঠাগার সম্পাদক হয়েছেন জাভেদ হোসেন। উপসম্পাদক হিসেবে ৫ জন।

তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পল্লব কুমার বর্মন। এই কমিটিতে উপসম্পাদক হয়েছেন আরও ৩ জন। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিতে সম্পাদক হয়েছেন শাকিল আহমেদ জুয়েল। এই কমিটিতে ‍উপসম্পাদক হয়ে আরও রয়েছেন ৫ জন। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তাজ উদ্দিন। তার সঙ্গে ৪ জন উপসম্পাদক রয়েছেন।

গণশিক্ষা বিষয়ে সম্পাদক হয়েছেন আবদুল্লাহিল বারী। উপসম্পাদক রয়েছেন ৩ জন। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হয়েছেন ইমরান জমাদ্দার। সঙ্গে উপসম্পাদক রয়েছেন ৪ জন।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহরিয়ার ফেরদৌস হিমেল। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপসম্পাদক। সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ তালুকদার। সঙ্গে রয়েছেন ৩ উপসম্পাদক। প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন হায়দার মোহাম্মদ জিতু। সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপসম্পাদক।

কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ রণি। এছাড়া এই কমিটিতে উপসম্পাদক হয়েছেন ৪ জন। নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জুয়েল মোল্লা। তার সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপসম্পাদক।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আসিফ ইকবাল অনিক। সঙ্গে রয়েছেন ৫ উপসম্পাদক। আপ্যায়ন সম্পাদক হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম ফাহাদ। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপসম্পাদক।

মেহেদী হাসান তাপস পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব। সঙ্গে রয়েছেন চার উপসম্পাদক। মানব সম্পদ উন্নয়দ সম্পাদক হয়েছেন নাহিদ হাসান শাহিন। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপসম্পাদক। ছাত্র-বৃত্তি সম্পাদক হয়েছেন আতাউল গনি কৌশিক। সঙ্গে রয়েছে ৪ উপসম্পাদক।

কৃষি-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মাকসুদুর রহমান মিঠু। সঙ্গে রয়েছেন উপসম্পাদক পদে আরও তিন জন। কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। সঙ্গে রয়েছেন আরও চার জন। সহসম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোট ২৩ জন।

পিপিবিডি/এআইএস

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত