Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
  • ||

নতুন এডিপির খসড়া চূড়ান্ত, পরিবহনে সর্বোচ্চ বরাদ্দ

প্রকাশ:  ০৮ মে ২০১৯, ১৫:১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

পরিবহন খাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আকার দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। (স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ছাড়া) এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা খরচের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (০৮ মে) শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের এডিপির বর্ধিত সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে এডিপিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে পরিবহন খাত, টাকার পরিমাণে তা ৫২ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। এডিপি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সভায় অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। ওই সভায় নতুন এডিপির চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে এক লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপির অনুমোদন দেয়া হয়। একই সঙ্গে ৯ হাজার ৬২০ কোটি টাকা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, আমরা নতুন এডিপির আকার গ্রহণ করেছি।এটা উপস্থান করা হবে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য।

তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়নের আকার বাড়ছে। এর সঙ্গে বাড়ছে এডিপির আকারও। আমরা এডিপি আকারের ইতিহাস সৃষ্টি করছি। যেসব প্রকল্প বার বার নতুন এডিপিতে যোগ করা হয় সেই রীতি আমরা ভেঙে ফেলবো। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, মানুষের কথা মাথায় রেখে শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন কাজ করছেন। সেই কথা মাথায় রেখেই এডিপি সাজানো হচ্ছে। সড়ক, বিদ্যুৎ, পানিসম্পদের উন্নয়নে কাজ করছি। আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কাজ করছি। সকল বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েই নতুন এডিপি।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) ৫৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করা হয়েছে; টাকার অংকে তা ৯৬ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। গতবছর এই সময়ে এডিপি বাস্তবায়িত হয়েছিল ৫২ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা টাকার অংকে ৮২ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা।

এম এ মান্নান বলেন, আমরা এডিপির সর্বোচ্চ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। আগামী অর্থবছরেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে। নতুন এডিপিতে মানব সম্পদ উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা সচিব মো. নুরুল আমিন আগামী অর্থবছরের খসড়ার আকার তুলে ধরে বলেন এটি খসড়া প্রস্তাব। এক সপ্তাহের মধ্যেই এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

এডিপি পর্যালোচনায় বলা হয়, চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) পর্যন্ত সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (আরএডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে ৫৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ সময়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো খরচ করতে পেরেছে ৯৬ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে অর্থাৎ ১০ মাসে আরএডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল ৫২ দশমিক ৪২ শতাংশ। ওই সময় খরচ হয়েছিল ৮২ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরের মূল এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সে তুলনায় নতুন অর্থবছরের এডিপির আকার বাড়ছে ১৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। এছাড়া, মাঝ পথে এ অর্থবছরের বরাদ্দ কমিয়ে সংশোধিত এডিপিতে ধরা হয় ১ লাখ ৬৭ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত এডিপির তুলনায় নতুন এডিপিতে বরাদ্দ বাড়বে ২১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। নতুন এডিপিতে পদ্মা সেতু ও পদ্মা সেতুতে রেলসংযোগসহ গুরুত্ব বিবেচনায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে পরিবহন খাতে। এছাড়া, মন্ত্রণালয় হিসেবে সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

পিপিবিডি/জিএম

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি),শেরে বাংলানগর,এনইসি সম্মেলন কক্ষ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত