Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

সরকারি ব্যাংকে ডিএমডি পদে মৌখিক পরীক্ষা ৯ মে

প্রকাশ:  ০৪ মে ২০১৯, ১৯:১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে পদোন্নতির জন্য আগামী ৯ মে তালিকাভুক্ত মহা-ব্যবস্থাপকদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ওইদিন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তার শেরেবাংলা নগরের দফতরে প্রার্থীদের এ সাক্ষাৎকার নেবেন। এ সময় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব ফজলুল হকসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিয়ে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে নিয়োগ দেওয়া হতো। এবারই প্রথম মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। এদিকে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর অনেকেই লবিং শুরু করে দিয়েছেন। ফলে যোগ্য মহা-ব্যবস্থাপকদের বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, একজন শিক্ষানবিশ কর্মকর্তা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর কর্মদক্ষতার প্রমাণ দিয়েই জিএম হতে হয়। যেসব জিএম যথা সময়ে পদোন্নতি পেয়েছেন, তারা ডিএমডি হওয়ার যোগ্য। তবে কর্মদক্ষতা ও অভিজ্ঞতার কারণে তাদের মধ্যে সিনিয়রদেরই পদোন্নতি দেওয়া উচিত।

সূত্র জানায়, সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকে দু’টি, সোনালী ব্যাংকে একটি, জনতা ব্যাংকে একটি, বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে একটি, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে একটি, কর্মসংস্থান ব্যাংকে একটি ও বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিতে একটি উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (ডিএমডি) পদ শূন্য রয়েছে।

সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ৯টি শূন্য পদের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নেবেন এসব প্রতিষ্ঠানের ২৭ জন মহা-ব্যবস্থাপক (জিএম)। তাদের মধ্যে অনেকেই জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্য বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগে অনেক অযোগ্যরাও সুযোগ পেয়েছে। এটা প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো নয়। পরীক্ষার মাধ্যমে ডিএমডি নিয়োগ কেমন হবে জানি না। তবে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া উচিত। সিনিয়ররা অনেক কিছু জানেন ও বোঝেন।

ডিএমডি পদে পদোন্নতির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে তালিকাভুক্তদের চিঠি দিয়েছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল।

২৭ জনের ওই তালিকায় রয়েছেন রুপালী ব্যাংকের জিএম কাইসুল হক ও অরুণ কান্তি পাল। সোনালী ব্যাংকের চারজন জিএম যথাক্রমে মতিউর রহমান, শামীমুল হক, নিজামউদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী ও স্বপন কুমার সাহা। এছাড়া তালিকায় জনতা ব্যাংকের ৮জন জিএমও আছেন। তারা হলেন- জসীম উদ্দিন, খন্দকার আতাউর রহমান, শেখ মো. জামিনুর রহমান, জাকির হোসেন, আব্দুল আওয়াল, আব্দুল জব্বার, মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও মোহাম্মদ ইদ্রিছ। অগ্রণী ব্যাংকের ৫ জন জিএমের মধ্যে রয়েছেন, মো. ওয়ালি উল্লাহ, গোলাম কবির, সুকান্ত বিকাশ স্যানাল, শিরীন আখতার ও শেখর চন্দ্র বিশ্বাস। রূপালী ব্যাংকের দু'জন হচ্ছেন কাইসুল হক ও অরুন কান্তি পাল। আইসিবি'র ৬ জন জিএম ডিএমডি পদোন্নতির যোগ্যদের তালিকায় রয়েছেন। তারা হলেন- কামাল হোসেন গাজী, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, দীপিকা ভট্টাচার্য্য, রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ শাহজাহান ও রিফাত হাসান। এ ছাড়া কর্মসংস্থান ব্যাংকের জিএম মো. আব্দুল মান্নান ও হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের জিএম জাহিদুল হক তালিকায় রয়েছেন।

পিপিবিডি/এস.খান

ব্যাংক,ডিএমডি,পরীক্ষা
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত