• রোববার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
  • ||

করোনা নিয়ন্ত্রণে চীন বাদে বাংলাদেশ প্রথম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ:  ২২ নভেম্বর ২০২১, ২২:১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় সফল। করোনা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে চীন বাদে বাংলাদেশের অবস্থান এক নম্বরে থাকবে। জনসংখ্যার হিসেব করলে পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে বাংলাদেশ করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অনেক বেশি কাজ করেছে। হয়তো চীনের নিচে থাকতে পারে। কারণ চীনের হিসেব একটু আলাদা।

সোমবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জাহিদ মালেক বলেন, শূন্য থেকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা শুরু করেছিলাম আমরা। একটি ল্যাব থেকে এখন ৮০০টি ল্যাব করা হয়েছে। দিনে ২০ থেকে ৫০ হাজার ভ্যাকসিন দেওয়ার মতো সামর্থ্য তৈরি হয়েছে এখন।

তিনি বলেন, করোনাকালে এক সঙ্গে ১৫ হাজার ডাক্তার ও ২০ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে ১৮ হাজার বেড রয়েছে করোনা চিকিৎসার জন্য। তার মধ্যে এখন ১ হাজার বেডেও চিকিৎসাধীন কোনো লোক নেই। এর মানে হলো ৯৫ ভাগ খালি রয়েছে এখন। নয় কোটি মানুষকে প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে একবার দেশব্যাপী ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আবারও আমরা দুই-তিনটি কার্যক্রম করব। যার মাধ্যমে দেড় কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার টার্গেট রয়েছে।

জাহিদ মালেক বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ৯ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। ভ্যাকসিন পাওয়া জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ প্রথম ডোজ এবং ২৫ শতাংশ মানুষ দুই ডোজ ভ্যাকসিন পেয়েছেন। তবে এখনো অনেকে ভ্যাকসিনের বাইরে রয়ে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার লোকও কমে আসছে। আমরা দেখি ভ্যাকসিন কেন্দ্রে আগের মতো ভিড় নেই। আমরা আহ্বান করব, যারা ভ্যাকসিন নেন নাই তারা এগিয়ে আসুন। খুব সহজেই আমরা ভ্যাকসিন দিয়ে দেই, শুধু ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জন্মনিবন্ধন হলেই হয়। ভ্যাকসিন নিবেন ভালো থাকবেন।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. আহমদুল কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. লোকমান হোসেন মিঞা, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. টিটু মিঞা, স্বাচিপের সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ,বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. বিলাল আহমেদ।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close