• রোববার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯
  • ||

বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২২ : এবার পুরস্কার ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা

প্রকাশ:  ১৯ জানুয়ারি ২০২৩, ২১:৫২ | আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২৩, ২২:১৯
নিউজ ডেস্ক

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় পুরস্কারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। ইতিমধ্যে ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২২’-এর জন্য প্রতিবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, এবার বেড়েছে পুরস্কারের কলেবর এবং মূল্যমান। সব মিলিয়ে ১০টি ক্যাটাগরিতে এবার পুরস্কার পাবেন ২৫ জন। পুরস্কারের মূল্যমান দুই কোটি ৩৫ লাখ টাকা। বিজয়ীরা প্রত্যেকে পাবেন ক্রেস্ট এবং সনদপত্রও।

গত বছর দেশে প্রথমবারের মতো মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদানের সূচনা করেছিল দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ। ওই অনুষ্ঠানে গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ঘোষণা দিয়েছিলেন পরবর্তী পুরস্কারের মূল্যমান হবে ১০ লাখ টাকা। একই সঙ্গে পুরস্কারের কলেবর বৃদ্ধিরও ঘোষণা দিয়েছিলেন বসুন্ধরার স্বপ্নদ্রষ্টা। সে অনুযায়ী এবার ১০টি ক্যাটাগরিতে ২৫টি পুরস্কারের জন্য প্রতিবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

    বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, গতবারের মতো এবারও জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২২ প্রদান করা হবে। দেশের সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজপোর্টাল, টেলিভিশন ও রেডিওতে কর্মরত সাংবাদিকরা বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২২-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। পুরস্কারের জন্য ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখের মধ্যে প্রকাশিত বা প্রচারিত প্রতিবেদন নির্দিষ্ট ঠিকানায় জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের সঙ্গে অবশ্যই বাংলা ও ইংরেজিতে প্রতিযোগীর নাম, ই-মেইল, মোবাইল নম্বর এবং বর্তমান কর্মস্থলের ঠিকানাসহ এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    জানা গেছে, বরাবরের মতো এবারও এ পুরস্কারের সঙ্গে যুক্ত থাকছে নিরপেক্ষ জুরি বোর্ড। অভিজ্ঞ সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও মিডিয়া বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত নিরপেক্ষ জুরি বোর্ড প্রতিটি প্রতিবেদন, আলোকচিত্র ও ভিডিও চিত্র মূল্যায়ন করবেন। সর্বোচ্চ গড় নম্বরের ভিত্তিতে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্ধারিত হবেন। জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

    যেসব ক্যাটাগরিতে পুরস্কার : ১০টি ক্যাটাগরিতে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, ভিডিও বা অডিও প্রতিবেদন এবং আলোকচিত্র আহ্বান করা হয়েছে। ক্যাটাগরিগুলো হলো―মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, অপরাধ, নারী ও শিশু, পরিবেশ-জলবায়ু ও মাইগ্রেশন, অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্র, আলোকচিত্র এবং ভিডিও জার্নালিজম। প্রথম আটটি ক্যাটাগরিতে ২৩ জন বিজয়ীর প্রত্যেকে পাবেন ১০ লাখ টাকার পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সনদ। শেষ দুই ক্যাটাগরিতে দুজন বিজয়ী পাবেন আড়াই লাখ টাকার পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সনদ।

    এগুলোর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে প্রিন্ট, অনলাইন, টেলিভিশনের পাশাপাশি রেডিওতেও সেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য পুরস্কার দেওয়া হবে। অপরাধ ও দুর্নীতি, নারী ও শিশু, পরিবেশ-জলবায়ু ও মাইগ্রেশন, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ক্যাটাগরিতে প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমের সেরা তিনটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পুরস্কৃত হবে। সেরা অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্রের জন্য নির্বাচিত হবেন একজন। সেরা অনুসন্ধানী ভিডিও চিত্র ও আলোকচিত্রের জন্য দুজন পাবেন পুরস্কার। ভিডিও জার্নালিস্টদের আলাদা করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। টেলিভিশন ও অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্র ক্যাটাগরিতে যেসব প্রতিবেদন জমা পড়বে সেখান থেকেই জুরি বোর্ড সেরা অনুসন্ধানী ভিডিও জার্নালিস্ট নির্বাচন করবেন।

    আবেদনের নিয়মাবলি : প্রতিবেদন, প্রামাণ্যচিত্র ও আলোকচিত্র কুরিয়ার, ই-মেইল অথবা সরাসরি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কার্যালয়ে জমা দিতে পারবেন।

    জমা দেওয়ার সময় অবশ্যই খামের ওপর অথবা ই-মেইলের সাবজেক্টে কাঙ্ক্ষিত ক্যাটাগরির নাম উল্লেখ করতে হবে। একজন প্রতিবেদক শুধু একটি ক্যাটাগরিতে প্রতিবেদন জমা দিতে পারবেন। তবে সিরিজ প্রতিবেদন হলে একাধিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া যাবে। ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশিত বা প্রচারিত হতে হবে। প্রতিবেদনের সঙ্গে অবশ্যই বাংলা ও ইংরেজিতে প্রতিযোগীর নাম, ই-মেইল, মোবাইল নম্বর এবং বর্তমান কর্মস্থলের ঠিকানাসহ এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি জমা দিতে হবে।

    প্রতিবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রত্যয়নপত্রও জমা দিতে হবে। প্রতিটি প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালের প্রতিবেদনের ১০ সেট প্রিন্ট বা স্ক্যান কপি ও অনলাইন লিংক এবং টেলিভিশনের ক্ষেত্রে ১০ সেট স্ক্রিপ্ট, সিডি কপি বা পেনড্রাইভ ও নিউজ লিংক জমা দিতে হবে।

    যদি কেউ ই-মেইলে আবেদন করেন তাহলে মূল পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের স্ক্যান কপিসহ ই-পেপারের প্রতিবেদনের লিংক জমা দিতে হবে। একইভাবে অনলাইনের ক্ষেত্রে মূল প্রতিবেদনের লিংক জমা দিতে হবে। টেলিভিশন প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মূল ইউটিউব বা ফেসবুকে আপলোড হওয়া অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের লিংকটি জমা দিতে হবে।

    টেলিভিশন রিপোর্ট ও অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্রের ক্ষেত্রে আবেদনের সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে অবশ্যই ভিডিও জার্নালিস্টের নাম ও এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে।

    প্রতিবেদন পাঠানোর ঠিকানা : ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। ই-মেইল : [email protected] প্রতিবেদন জমাদানের শেষ তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।

    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close